দরিদ্র ও অসচ্ছল পরিবারের গর্ভবতী মায়েদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার জন্য সরকার দীর্ঘদিন ধরে “মাতৃত্বকালীন ভাতা” নামে একটি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে। মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর এবং সমাজসেবা অধিদপ্তর যৌথভাবে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে। এই লেখায় ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী যোগ্যতা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, আবেদন প্রক্রিয়া, ভাতার হার এবং সাধারণ প্রশ্নোত্তর নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।
শুরুতেই একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জেনে রাখা ভালো: ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে এই কর্মসূচির নাম পরিবর্তিত হয়ে “মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি” রাখা হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যাচ্ছে, যদিও সাধারণ মানুষের কাছে এটি এখনও “মাতৃত্বকালীন ভাতা” বা “গর্ভবতী ভাতা” নামেই বেশি পরিচিত। নাম পরিবর্তনের সাথে সাথে সুবিধাভোগীর তালিকা, আবেদন পদ্ধতি বা মূল কাঠামোতে বড় কোনো পরিবর্তন এসেছে কিনা তা নিশ্চিত হতে নিকটস্থ সমাজসেবা অধিদপ্তর বা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কার্যালয়ে যোগাযোগ করে নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ পথ।
মাতৃত্বকালীন ভাতা কী এবং কারা এই কর্মসূচি পরিচালনা করে
এটি মূলত দরিদ্র সীমার নিচে বসবাসকারী গর্ভবতী মায়েদের জন্য একটি সরকারি সহায়তা প্রকল্প। এর মূল উদ্দেশ্য হলো গর্ভকালীন ও প্রসবপরবর্তী সময়ে মা ও শিশুর পুষ্টি এবং স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। শুধু নগদ অর্থ প্রদানই নয়, উপকারভোগীদের জন্য মাঝেমধ্যে প্রশিক্ষণ সেবারও ব্যবস্থা রাখা হয়। ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন পর্যায়ে স্থানীয় প্রতিনিধিদের সুপারিশের ভিত্তিতে এবং জেলা ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ের মাধ্যমে চূড়ান্ত অনুমোদন হয়।
যোগ্যতার শর্তাবলি — কারা আবেদন করতে পারবেন
আবেদনের আগে নিচের প্রতিটি শর্ত নিজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কিনা যাচাই করে নিন।
- আবেদনকারী মহিলার বয়স সাধারণত ২০ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে হতে হয়। এর কম বা বেশি বয়সে আবেদন গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে, তবে নির্দিষ্ট এলাকায় স্থানীয় কমিটির সিদ্ধান্তের উপরও কিছুটা নির্ভর করে।
- জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) অবশ্যই থাকতে হবে। শুধু জন্মনিবন্ধন সনদ দিয়ে আবেদন গ্রহণ করা হয় না।
- প্রথম বা দ্বিতীয় গর্ভধারণকালে আবেদন করা যায়। সাধারণ নিয়মে তৃতীয় সন্তানের ক্ষেত্রে আবেদনের সুযোগ থাকে না, তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে (যেমন প্রথম দুটি সন্তান জীবিত না থাকা) স্থানীয় কমিটি ব্যতিক্রম বিবেচনা করতে পারে। এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য স্থানীয় সমাজসেবা কার্যালয়ে সরাসরি জিজ্ঞাসা করাই ভালো।
- আবেদনকারীর নিজ নামে মোবাইল ব্যাংকিং বা ব্যাংক হিসাব (নগদ, বিকাশ বা সোনালী ব্যাংক হিসাব) থাকতে হবে, যেখানে ভাতার অর্থ পাঠানো হবে।
- পারিবারিক মাসিক আয় একটি নির্ধারিত সীমার মধ্যে থাকতে হয়। এই আয়সীমা সময়ে সময়ে সংশোধিত হতে পারে, তাই সবচেয়ে হালনাগাদ সীমা জানতে স্থানীয় কার্যালয়ে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হওয়া উচিত।
- আবেদনকারীকে অবশ্যই যে ইউনিয়ন, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশনের ভোটার বা স্থায়ী বাসিন্দা, সেখান থেকেই আবেদন করতে হয়। স্বামী বা স্ত্রী যে কারও ঠিকানা থেকে আবেদন করার সুযোগ থাকে।
- গর্ভাবস্থার সাধারণত পাঁচ মাস পূর্ণ হওয়ার পর আবেদন করা যায়। এর আগে আবেদন গ্রহণ না হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
একটি বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি — গর্ভবতী হলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভাতা পাওয়া যায় না। নির্বাচন কমিটি একাধিক মানদণ্ড বিবেচনা করে সীমিত সংখ্যক উপকারভোগী চূড়ান্ত করে। তাই আবেদন জমা দেওয়া মানেই ভাতা পাওয়ার নিশ্চয়তা নয়।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের চেকলিস্ট
আবেদনের সময় সাধারণত নিচের কাগজপত্র লাগে:
- আবেদনকারী মহিলার জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি
- স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন সনদের ফটোকপি
- গর্ভাবস্থার প্রমাণস্বরূপ চিকিৎসকের সনদ বা আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট
- পাসপোর্ট সাইজ ছবি
- মোবাইল ব্যাংকিং একাউন্ট (নগদ/বিকাশ) নম্বর বা ব্যাংক হিসাব নম্বর
- ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কাছ থেকে নাগরিক সনদ বা প্রত্যয়নপত্র
- পারিবারিক আয়ের প্রত্যয়নপত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)
আবেদন ফরম মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করা যায়, অথবা সরাসরি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় থেকেও সংগ্রহ করা সম্ভব।
ধাপে ধাপে আবেদন প্রক্রিয়া
মাতৃত্বকালীন ভাতার আবেদন দুইভাবে করা যায় — নিজে অনলাইনে প্রাথমিক আবেদন করে স্থানীয় প্রতিনিধির সুপারিশ নেওয়া, অথবা ইউনিয়ন পরিষদ/উপজেলা উদ্যোক্তার মাধ্যমে সরাসরি আবেদন জমা দেওয়া। ধাপগুলো নিচে দেওয়া হলো।
ধাপ ১ — কাগজপত্র প্রস্তুত করুন। উপরের চেকলিস্ট অনুযায়ী সব কাগজ স্ক্যান বা ফটোকপি করে রাখুন।
ধাপ ২ — অনলাইন পোর্টালে প্রবেশ করুন। মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের এমআইএস পোর্টাল (dwamcbp.gov.bd) অথবা সমাজসেবা অধিদপ্তরের নির্দিষ্ট পোর্টালে গিয়ে নতুন আবেদন ফরম পূরণ করুন। নিজের এনআইডি নম্বর, জন্মতারিখ, ঠিকানা এবং গর্ভকালীন সময়ের তথ্য সঠিকভাবে দিন।
ধাপ ৩ — তথ্য সংরক্ষণ (Save) করুন। পোর্টালে নিজে যে তথ্য দিয়েছেন তা সংরক্ষণ করার পর আবেদনটি একটি অস্থায়ী নম্বর (Application ID) পাবে। এই নম্বরটি অবশ্যই সংরক্ষণ করে রাখুন, কারণ পরবর্তীতে আবেদনের অবস্থা যাচাইয়ের জন্য এটি প্রয়োজন হবে।
ধাপ ৪ — ইউপি বা পৌরসভার সুপারিশ সংগ্রহ করুন। শুধু নিজে অনলাইনে আবেদন করলেই হবে না — সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান/মেয়র বা প্যানেল চেয়ারম্যানের অনলাইন সুপারিশ ছাড়া আবেদনটি সমাজসেবা কর্মকর্তার কাছে যায় না। তাই আবেদন জমা দেওয়ার পর নিজের ইউপি কার্যালয়ে গিয়ে জানিয়ে আসা উচিত, যাতে উদ্যোক্তা বা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা অনলাইনেই সুপারিশ পাঠিয়ে দেন।
ধাপ ৫ — মাঠ পর্যায়ে যাচাই। সমাজসেবা অধিদপ্তর বা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা প্রয়োজনে বাড়ি বাড়ি গিয়ে বা তথ্য মিলিয়ে সত্যতা যাচাই করেন।
ধাপ ৬ — চূড়ান্ত অনুমোদন ও তালিকাভুক্তি। জেলা/উপজেলা কমিটি সবকিছু পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত উপকারভোগীর তালিকা প্রস্তুত করে। অনুমোদন পেলে আবেদনকারীর মোবাইল ব্যাংকিং বা ব্যাংক হিসাবে ভাতার অর্থ পাঠানো শুরু হয়।
মনে রাখবেন, প্রতি বছর নির্দিষ্ট সময়ে (সাধারণত বাজেট বরাদ্দ ও প্রান্তিকভিত্তিক চক্র অনুযায়ী) অনলাইন আবেদন গ্রহণ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। কোনো নির্দিষ্ট সময়ে পোর্টাল বন্ধ পেলে ঘাবড়ে না গিয়ে পরবর্তী চক্রের জন্য অপেক্ষা করুন অথবা স্থানীয় কার্যালয়ে যোগাযোগ করে সর্বশেষ সময়সূচি জেনে নিন।
ভাতার হার ও পরিশোধ পদ্ধতি
দীর্ঘদিন ধরে মাসিক ৮০০ টাকা হারে এই ভাতা দেওয়া হচ্ছিল। তবে সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই মাস থেকে এই হার বাড়িয়ে মাসিক ৮৫০ টাকা করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। যেহেতু ভাতার হার বাজেট বরাদ্দ ও সরকারি সিদ্ধান্তের উপর নির্ভরশীল এবং সময়ে সময়ে পরিবর্তিত হতে পারে, তাই আবেদনের আগে সঠিক ও সর্বশেষ হার জানতে নিজের এলাকার সমাজসেবা অধিদপ্তর বা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কার্যালয়ে একবার যাচাই করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
পরিশোধ পদ্ধতি সাধারণত এভাবে কাজ করে:
- বাজেট বরাদ্দ অনুযায়ী সোনালী ব্যাংকে একটি “মাতৃত্বকাল ভাতা” নামের কেন্দ্রীয় হিসাবে অর্থ জমা করা হয়।
- জেলা/উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের যৌথ স্বাক্ষরে পরিচালিত মাদার একাউন্ট থেকে প্রত্যেক উপকারভোগীর নিজস্ব একাউন্টে অর্থ প্রেরণ করা হয়।
- একজন নির্বাচিত উপকারভোগী প্রথম বা দ্বিতীয় গর্ভধারণকালের যেকোনো একবার মোট দুই বছর (২৪ মাস) মেয়াদের জন্য ভাতা পাওয়ার সুযোগ পান।
- অর্থ সাধারণত প্রতি ছয় মাস অন্তর একত্রে ছাড় করা হয়, অর্থাৎ ছয় মাসের সঞ্চিত অর্থ একসাথে হিসাবে জমা হয়।
আবেদনের অবস্থা কীভাবে যাচাই করবেন
আবেদন জমা দেওয়ার পর সেটি বাতিল হয়েছে, গ্রহণযোগ্য হয়েছে, সুপারিশ পেয়েছে নাকি চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে তা জানার সুযোগ রয়েছে। নিজের এনআইডি নম্বর ও মোবাইল নম্বর দিয়ে সমাজসেবা অধিদপ্তরের ট্র্যাকিং পোর্টালে (dss.bhata.gov.bd এর মতো অফিসিয়াল ট্র্যাকিং লিংক) সার্চ করে আবেদনের অবস্থা দেখা যায়। এছাড়া ইউপি উদ্যোক্তা বা সমাজসেবা অধিদপ্তরের নির্ধারিত কর্মকর্তার মাধ্যমেও অবস্থা জানা সম্ভব। যেহেতু পোর্টালের ঠিকানা মাঝেমধ্যে আপডেট হয়, তাই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হলো নিজের ইউনিয়ন পরিষদ বা উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে সরাসরি খোঁজ নেওয়া।
প্রতারণা থেকে সাবধান থাকুন
যেহেতু এই ভাতা সরাসরি নগদ অর্থে সংশ্লিষ্ট, তাই একশ্রেণির প্রতারক চক্র এই সুযোগ কাজে লাগানোর চেষ্টা করে। কার্ড করে দেওয়ার নাম করে ঘুষ বা উৎকোচ দাবি করার ঘটনা দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঘটেছে বলে সংবাদমাধ্যমে এসেছে। মনে রাখবেন —
- এই ভাতা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাওয়ার অধিকার। কোনো ব্যক্তি বা মধ্যস্বত্বভোগীকে টাকা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
- চূড়ান্ত অনুমোদনের সিদ্ধান্ত সমাজসেবা অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কমিটির, কোনো একক ব্যক্তির নয়।
- কেউ টাকা দাবি করলে স্থানীয় সমাজসেবা কার্যালয়ে সরাসরি অভিযোগ করুন, প্রয়োজনে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে বা শিশু বিষয়ক হেল্পলাইন ১০৯৮ নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন।
সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)
গর্ভাবস্থার কত মাসে আবেদন করা যায়?
সাধারণত পাঁচ মাস পূর্ণ হওয়ার পর থেকে আবেদনের সুযোগ থাকে। নির্দিষ্ট সময়সীমা এলাকাভেদে কিছুটা ভিন্ন হতে পারে, তাই স্থানীয় কার্যালয়ে নিশ্চিত হয়ে নিন।
তৃতীয় সন্তানের জন্য কি আবেদন করা যায়?
সাধারণ নিয়মে যায় না। তবে ব্যতিক্রমী পারিবারিক পরিস্থিতিতে (যেমন আগের সন্তান জীবিত না থাকা) স্থানীয় কমিটি বিবেচনা করতে পারে। এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত স্থানীয় পর্যায়ের কর্তৃপক্ষের।
স্বামী ও স্ত্রীর ভোটার এলাকা ভিন্ন হলে কোথা থেকে আবেদন করব?
দুজনের যেকোনো একজনের ভোটার এলাকা থেকে আবেদন করা যায়। যে এলাকা থেকে নাগরিক সনদ পাওয়া সহজ, সেটি বেছে নেওয়াই সুবিধাজনক।
একবার প্রথম সন্তানের সময় ভাতা নিলে দ্বিতীয় সন্তানের সময়ও কি আবার আবেদন করা যাবে?
না। এই সুবিধা জীবনে একবারই — প্রথম অথবা দ্বিতীয় গর্ভধারণকালের যেকোনো একবার — গ্রহণ করা যায়।
অনলাইনে আবেদন বন্ধ থাকলে কী করব?
বছরে নির্দিষ্ট প্রান্তিকে (সাধারণত তিন থেকে চার মাস অন্তর) নতুন আবেদন গ্রহণ করা হয়। মাঝের সময়ে পোর্টাল সাময়িকভাবে বন্ধ থাকতে পারে। এই সময় ইউপিতে গিয়ে কাগজপত্র জমা দিয়ে রাখতে পারেন, যাতে পোর্টাল চালু হলে দ্রুত অনলাইন এন্ট্রি করা যায়।
জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকলে কি আবেদন করা যাবে?
সাধারণত না। জন্মনিবন্ধন সনদ দিয়ে আবেদন গ্রহণযোগ্য নয়। এনআইডি না থাকলে প্রথমে নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে এনআইডির জন্য আবেদন করে নেওয়া উচিত।
শেষ কথা
মাতৃত্বকালীন ভাতা বা “মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি” দরিদ্র মায়েদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক নিরাপত্তা বলয়। তবে যেহেতু ভাতার হার, আয়সীমা, আবেদনের সময়সূচি এবং পোর্টালের ঠিকানা মাঝেমধ্যেই পরিবর্তিত হয়, তাই এই লেখায় দেওয়া তথ্য একটি সাধারণ দিকনির্দেশনা হিসেবে বিবেচনা করে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে অবশ্যই নিজের ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় অথবা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে সরাসরি যোগাযোগ করে সর্বশেষ তথ্য যাচাই করে নেওয়া উচিত। কোনো মধ্যস্বত্বভোগীকে অর্থ প্রদান না করে সরাসরি সরকারি চ্যানেলের মাধ্যমেই আবেদন সম্পন্ন করুন, যাতে প্রাপ্য সুবিধা সঠিকভাবে এবং নিরাপদে পাওয়া যায়।



