সরকারি চাকরির বাজারে এই মুহূর্তে সবচেয়ে আলোচিত একটি সুখবর হলো কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের (DTE) বড় পরিসরের নিয়োগ কার্যক্রম। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ এই দপ্তরটি দুটি পৃথক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে মোট ৩৬টি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে ৪৪৮ জন জনবল নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। JSC, SSC, HSC, ডিপ্লোমা এবং স্নাতক পাস প্রার্থীরা এই সুযোগের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন। যারা দীর্ঘদিন ধরে সরকারি চাকরির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হতে পারে, বিশেষ করে যেহেতু আবেদনের ক্ষেত্রে কোনো জেলাভিত্তিক বাধা রাখা হয়নি — দেশের যেকোনো প্রান্তের প্রার্থী আবেদন করতে পারবেন।
নিচে এই নিয়োগ সংক্রান্ত সকল প্রয়োজনীয় তথ্য ধাপে ধাপে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো, যাতে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করার আগে আপনি সম্পূর্ণ প্রস্তুতি নিতে পারেন।
নিয়োগের সংক্ষিপ্ত চিত্র
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| প্রতিষ্ঠান | কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর (DTE) |
| মোট ক্যাটাগরি | ৩৬টি (২০টি + ১৬টি) |
| মোট শূন্যপদ | ৪৪৮ জন (২৫১ + ১৯৭) |
| শিক্ষাগত যোগ্যতা | JSC/SSC/HSC/ডিপ্লোমা/স্নাতক (পদভেদে ভিন্ন) |
| বয়সসীমা | ১৮ থেকে ৩২ বছর |
| আবেদনযোগ্য জেলা | বাংলাদেশের সকল জেলা |
| বেতন গ্রেড | গ্রেড-১১ থেকে গ্রেড-২০ |
| আবেদন ফি | ৫৬, ১১২ ও ১৬৮ টাকা (পদভেদে) |
| আবেদন মাধ্যম | টেলিটক অনলাইন সিস্টেম |
| প্রথম বিজ্ঞপ্তি (DTER) আবেদনের শেষ সময় | ২১ জুলাই ২০২৬ |
| দ্বিতীয় বিজ্ঞপ্তি (DTEV) আবেদনের শেষ সময় | ১২ আগস্ট ২০২৬ |
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা, যার প্রধান কাজ হলো দেশজুড়ে কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষার মান উন্নয়ন, নীতিমালা প্রণয়ন এবং তা বাস্তবায়ন তদারকি করা। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার আগারগাঁও প্রশাসনিক এলাকায় অবস্থিত, এবং এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট হলো techedu.gov.bd। দেশের বিভিন্ন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, কারিগরি স্কুল ও কলেজ এই দপ্তরের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
দুটি পৃথক বিজ্ঞপ্তি কেন প্রকাশিত হয়েছে?
লক্ষ্য করার বিষয় হলো, DTE একই সময়ে দুটি ভিন্ন নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালনা করছে — একটি পরিচিতি পাচ্ছে DTER নামে (২৫১ পদ) এবং অপরটি DTEV নামে (১৯৭ পদ)। দুটি বিজ্ঞপ্তির আবেদন লিংক, সময়সীমা এবং কিছু পদের নাম আলাদা হওয়ায় প্রার্থীদের সতর্কতার সাথে নিজের কাঙ্ক্ষিত পদ অনুযায়ী সঠিক ওয়েবসাইট নির্বাচন করতে হবে।
পদভিত্তিক বিস্তারিত তালিকা: DTER বিজ্ঞপ্তি (২৫১ পদ)
| পদের নাম | পদ সংখ্যা | গ্রেড | বেতনস্কেল |
|---|---|---|---|
| ফার্মাসিস্ট | ২ | ১১ | ১২,৫০০–৩০,২৩০ |
| হিসাব রক্ষক | ৪ | ১৩ | ১১,০০০–২৬,৫৯০ |
| উচ্চমান সহকারী | ৪ | ১৪ | ১০,২০০–২৪,৬৮০ |
| ইউডিএ কাম ডাটা প্রসেসর | ১ | ১৪ | ১০,২০০–২৪,৬৮০ |
| হিসাব রক্ষক (গ্রেড-১৪) | ১ | ১৪ | ১০,২০০–২৪,৬৮০ |
| কোষাধ্যক্ষ | ৫ | ১৪ | ১০,২০০–২৪,৬৮০ |
| সাঁট মুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর | ৫ | ১৪ | ১০,২০০–২৪,৬৮০ |
| লাইব্রেরিয়ান | ৪ | ১৪ | ১০,২০০–২৪,৬৮০ |
| কম্পাউন্ডার | ৪ | ১৪ | ১০,২০০–২৪,৬৮০ |
| অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক | ২৮ | ১৬ | ৯,৩০০–২২,৪৯০ |
| স্টোর কিপার (সার্ভে) | ১ | ১৬ | ৯,৩০০–২২,৪৯০ |
| ডাটা প্রসেসর | ২৯ | ১৬ | ৯,৩০০–২২,৪৯০ |
| এলডিএ কাম-ডাটা প্রসেসর | ৩ | ১৬ | ৯,৩০০–২২,৪৯০ |
| হিসাব সহকারী | ৯ | ১৬ | ৯,৩০০–২২,৪৯০ |
| এলডিএ কাম ক্যাশিয়ার | ১ | ১৬ | ৯,৩০০–২২,৪৯০ |
| এলডিএ কাম-টাইপিস্ট | ১ | ১৬ | ৯,৩০০–২২,৪৯০ |
| সহকারী লাইব্রেরিয়ান-কাম-ক্যাটালগার | ১১ | ১৬ | ৯,৩০০–২২,৪৯০ |
| ক্যাশ সরকার | ২ | ১৮ | ৮,৮০০–২১,৩১০ |
| স্কিল্ডম্যান | ৮ | ১৯ | ৮,৫০০–২০,৫৭০ |
| অফিস সহায়ক | ১২৮ | ২০ | ৮,২৫০–২০,০১০ |
পদভিত্তিক বিস্তারিত তালিকা: DTEV বিজ্ঞপ্তি (১৯৭ পদ)
| পদের নাম | পদ সংখ্যা | গ্রেড | বেতনস্কেল |
|---|---|---|---|
| লাইব্রেরিয়ান (গ্রেড-১৩) | ১৫ | ১৩ | ১১,০০০–২৬,৫৯০ |
| লাইব্রেরিয়ান (গ্রেড-১৪) | ৮ | ১৪ | ১০,২০০–২৪,৬৮০ |
| সাঁট মুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর | ১ | ১৪ | ১০,২০০–২৪,৬৮০ |
| হিসাবরক্ষক | ২ | ১৪ | ১০,২০০–২৪,৬৮০ |
| টুলরুম এ্যাটেনডেন্ট | ২৬ | ১৫ | ৯,৭০০–২৩,৪৯০ |
| এলডিএ কাম স্টোর কিপার | ৪ | ১৬ | ৯,৩০০–২২,৪৯০ |
| অফিস সহকারী কাম স্টোর কিপার | ৭ | ১৬ | ৯,৩০০–২২,৪৯০ |
| সহকারী কাম টাইপিস্ট | ৪ | ১৬ | ৯,৩০০–২২,৪৯০ |
| অফিস সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিক | ২ | ১৬ | ৯,৩০০–২২,৪৯০ |
| অফিস সহকারী কাম ডাটা এন্ট্রি/কন্ট্রোল অপারেটর | ১১ | ১৬ | ৯,৩০০–২২,৪৯০ |
| ড্রাইভার কাম মেকানিক | ১ | ১৬ | ৯,৩০০–২২,৪৯০ |
| সহকারী লাইব্রেরিয়ান | ১ | ১৬ | ৯,৩০০–২২,৪৯০ |
| এলডিএ কাম ক্যাশিয়ার | ১৬ | ১৬ | ৯,৩০০–২২,৪৯০ |
| অফিস সহায়ক/নিরাপত্তা প্রহরী | ১৭ | ২০ | ৮,২৫০–২০,০১০ |
| অফিস সহায়ক | ৭৯ | ২০ | ৮,২৫০–২০,০১০ |
| অফিস সহায়ক/গার্ডেনার | ৩ | ২০ | ৮,২৫০–২০,০১০ |
শিক্ষাগত যোগ্যতা: কে কোন পদে আবেদন করতে পারবেন?
শিক্ষাগত যোগ্যতার দিক থেকে এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে বেশ বৈচিত্র্য রয়েছে, ফলে বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীরাই সুযোগ পাবেন:
- স্নাতক পর্যায়ের প্রার্থীদের জন্য: হিসাব রক্ষক, উচ্চমান সহকারী, কোষাধ্যক্ষ, সাঁট মুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর, লাইব্রেরিয়ানসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদে সাধারণ স্নাতক বা বাণিজ্য অনুষদের ডিগ্রি প্রয়োজন হবে। লাইব্রেরিয়ান পদে অতিরিক্তভাবে লাইব্রেরি সায়েন্সে ডিপ্লোমা থাকা আবশ্যক।
- উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) পাস প্রার্থীদের জন্য: অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক, ডাটা প্রসেসর, এলডিএ কাম-ডাটা প্রসেসর, হিসাব সহকারী, টুলরুম এ্যাটেনডেন্টসহ বহু পদে HSC বা সমমানের সার্টিফিকেট থাকলেই আবেদন করা যাবে।
- মাধ্যমিক (SSC) পাস প্রার্থীদের জন্য: ক্যাশ সরকার, স্কিল্ডম্যান, অফিস সহায়ক, নিরাপত্তা প্রহরী ও গার্ডেনার পদগুলোতে SSC বা সমমানের সনদই যথেষ্ট। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, স্কিল্ডম্যান পদে গ্লাস ও সিরামিক ট্রেডে ভোকেশনাল সার্টিফিকেট থাকা আবশ্যক।
- অন্যান্য বিশেষায়িত যোগ্যতা: ফার্মাসিস্ট পদের জন্য ডিপ্লোমা ইন ফার্মেসি, কম্পাউন্ডার পদের জন্য মেডিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট সার্টিফিকেট এবং সাঁট মুদ্রাক্ষরিক পদগুলোতে বাংলায় প্রতি মিনিটে ৪৫ শব্দ ও ইংরেজিতে ৭০ শব্দ শর্টহ্যান্ড গতির প্রমাণ দাখিল করতে হবে। ড্রাইভার কাম মেকানিক পদের ক্ষেত্রে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পর্যাপ্ত যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে।
আবেদনের আগে অবশ্যই নিজের সনদপত্র অনুযায়ী প্রতিটি পদের সুনির্দিষ্ট শর্তাবলি অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তির কপিতে যাচাই করে নেওয়া উচিত, কারণ প্রতিটি পদে সামান্য ভিন্নতা থাকতে পারে।




বয়সসীমা সংক্রান্ত নির্দেশনা
সাধারণ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে নির্ধারিত তারিখে বয়স ন্যূনতম ১৮ এবং সর্বোচ্চ ৩২ বছরের মধ্যে থাকতে হবে। দুটি ভিন্ন বিজ্ঞপ্তিতে বয়স গণনার রেফারেন্স তারিখ ভিন্ন হতে পারে, তাই আবেদনের আগে নিজের নির্দিষ্ট সার্কুলার অনুযায়ী তারিখ যাচাই করে নেওয়া বাঞ্ছনীয়। বয়স প্রমাণের ক্ষেত্রে জন্মনিবন্ধন সনদ বা শিক্ষাগত সনদই গ্রহণযোগ্য হবে; কোনো ধরনের এফিডেভিট কার্যকর হবে না। মুক্তিযোদ্ধা কোটা, প্রতিবন্ধী কোটা বা অন্যান্য প্রযোজ্য কোটার ক্ষেত্রে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বয়সে ছাড় পাওয়া যেতে পারে।
জেলাভিত্তিক যোগ্যতা
এই নিয়োগে কোনো ধরনের জেলাভিত্তিক সীমাবদ্ধতা রাখা হয়নি। বাংলাদেশের যেকোনো জেলার বাসিন্দা যোগ্যতা পূরণ সাপেক্ষে নির্দ্বিধায় আবেদন করতে পারবেন, যা প্রার্থীদের জন্য একটি বাড়তি সুবিধা।
অনলাইনে আবেদন করার সম্পূর্ণ পদ্ধতি
আবেদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণভাবে টেলিটকের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। যেহেতু দুটি ভিন্ন সার্কুলার সক্রিয় রয়েছে, তাই কাঙ্ক্ষিত পদ অনুযায়ী সঠিক ওয়েবসাইট বেছে নেওয়া জরুরি — ২৫১ পদের জন্য dter.teletalk.com.bd এবং ১৯৭ পদের জন্য dtev.teletalk.com.bd।
ধাপে ধাপে আবেদন করার নিয়ম নিচে দেওয়া হলো:
- নির্ধারিত টেলিটক ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে “Application Form” অপশনে ক্লিক করুন।
- তালিকা থেকে আপনার কাঙ্ক্ষিত পদটি সিলেক্ট করে পরবর্তী ধাপে যান।
- প্রিমিয়াম সদস্য না হলে “No” নির্বাচন করে এগিয়ে যান।
- ফরমে নাম, জন্মতারিখ, শিক্ষাগত যোগ্যতা, ঠিকানাসহ সকল প্রয়োজনীয় তথ্য সতর্কতার সাথে পূরণ করুন।
- নির্দিষ্ট মাপে (৩০০x৩০০ পিক্সেল ছবি ও ৩০০x৮০ পিক্সেল স্বাক্ষর) ছবি ও স্বাক্ষর স্ক্যান করে আপলোড করুন।
- সব তথ্য পুনরায় যাচাই করে আবেদনপত্র সাবমিট করুন এবং Applicant’s Copy ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে সংরক্ষণ করুন।
আবেদন ফি পরিশোধের নিয়ম (SMS পদ্ধতি)
আবেদন ফি টেলিটক প্রিপেইড সিমের মাধ্যমে দুটি ধাপে পরিশোধ করতে হবে:
- প্রথম SMS: DTER অথবা DTEV স্পেস দিয়ে ইউজার আইডি লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে।
- দ্বিতীয় SMS: DTER/DTEV স্পেস YES স্পেস PIN কোড লিখে একই নম্বরে পাঠাতে হবে।
সঠিক ফি এর পরিমাণ ও নির্দেশনা Applicant’s Copy-তে উল্লেখ থাকবে বলে সেটি অনুসরণ করাই নিরাপদ। ফি জমা সম্পন্ন না হলে আবেদনটি গৃহীত বলে বিবেচিত হবে না।
যেসব বিষয়ে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন
- যারা ইতিমধ্যে ১১ নভেম্বর ২০২৫ তারিখের পূর্ববর্তী বিজ্ঞপ্তিতে (শুধুমাত্র ২৫১ পদের সার্কুলারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) আবেদন করে ফেলেছেন, তাদের পুনরায় আবেদনের প্রয়োজন নেই।
- সরকারি, আধা-সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রার্থীদের অবশ্যই যথাযথ কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি নিয়ে আবেদন করতে হবে এবং মৌখিক পরীক্ষার সময় অনাপত্তিপত্র (NOC) জমা দিতে হবে।
- ভুল বা মিথ্যা তথ্য দিয়ে আবেদন করলে এবং পরবর্তীতে তা প্রমাণিত হলে নিয়োগ বাতিলসহ আইনি ব্যবস্থার সম্মুখীন হতে হতে পারে।
নির্বাচন প্রক্রিয়া ও পরীক্ষার ধাপ
আবেদন সঠিকভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর যোগ্য প্রার্থীদের লিখিত অথবা ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। এই ধাপে উত্তীর্ণ হলে চূড়ান্তভাবে মৌখিক পরীক্ষার (ভাইভা) মুখোমুখি হতে হবে, যেখানে মূল সনদপত্র যাচাই করা হবে।
ভাইভার সময় সাথে যা যা রাখা জরুরি
- পূরণকৃত ও এডমিট কার্ডসহ Applicant’s Copy-এর রঙিন প্রিন্ট এবং দুই কপি সদ্যতোলা রঙিন ছবি
- সকল শিক্ষাগত সনদের মূলকপি ও অভিজ্ঞতা সনদ (যদি প্রযোজ্য হয়)
- জাতীয় পরিচয়পত্র এবং ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা/সিটি কর্পোরেশন থেকে ইস্যুকৃত নাগরিকত্ব সনদ
- প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটার সপক্ষে প্রমাণপত্র এবং চাকরিরতদের জন্য অনাপত্তি ছাড়পত্র
প্রস্তুতির জন্য কিছু কার্যকরী পরামর্শ
- আবেদনের আগে প্রতিটি পদের শিক্ষাগত যোগ্যতা মিলিয়ে নিন — একটি ভুল তথ্যের কারণে গোটা আবেদন বাতিল হয়ে যেতে পারে।
- ছবি ও স্বাক্ষর আপলোডের ক্ষেত্রে নির্ধারিত সাইজ মেনে চলুন, নয়তো সিস্টেম আবেদন গ্রহণ করবে না।
- আবেদন ফি জমাদানের নিশ্চিতকরণ SMS সংরক্ষণ করে রাখুন, ভবিষ্যতে প্রয়োজনে কাজে লাগতে পারে।
- লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য বাংলা, ইংরেজি, সাধারণ জ্ঞান ও গাণিতিক দক্ষতার ওপর নিয়মিত অনুশীলন করুন, কারণ বেশিরভাগ সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় এই বিষয়গুলো কমন থাকে।
- চাকরিরত প্রার্থীরা আগেভাগেই কর্তৃপক্ষের অনুমতিপত্র সংগ্রহ করে রাখলে ভাইভার সময় বিড়ম্বনায় পড়তে হবে না।
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
প্রশ্ন: কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি কবে প্রকাশিত হয়েছে?
উত্তর: ২৫১ পদের সার্কুলারটি জুনের শেষ সপ্তাহে এবং ১৯৭ পদের সার্কুলারটি জুলাইয়ের তৃতীয় সপ্তাহে প্রকাশিত হয়েছে।
প্রশ্ন: মোট কতটি ক্যাটাগরিতে নিয়োগ দেওয়া হবে?
উত্তর: দুটি বিজ্ঞপ্তি মিলিয়ে সর্বমোট ৩৬টি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে ৪৪৮ জন নিয়োগ পাবেন।
প্রশ্ন: আবেদনের শেষ তারিখ কবে?
উত্তর: ২৫১ পদের সার্কুলারে আবেদনের সময়সীমা ইতিমধ্যে শেষ হয়ে গেছে, তবে ১৯৭ পদের সার্কুলারে আগামী ১২ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।
প্রশ্ন: আবেদন করতে হলে কোন ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে হবে?
উত্তর: পদের ধরন অনুযায়ী dter.teletalk.com.bd অথবা dtev.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
প্রশ্ন: কোনো জেলা কোটার শর্ত আছে কি?
উত্তর: না, সকল জেলার প্রার্থীরাই সমানভাবে আবেদন করতে পারবেন।
শেষ কথা
সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের জন্য কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের এই নিয়োগ প্রক্রিয়া একটি বড় সুযোগ, কারণ বিভিন্ন শিক্ষাগত স্তরের মানুষ এখানে আবেদন করতে পারছেন। তবে আবেদন করার আগে অবশ্যই অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তির মূল কপি ভালোভাবে পড়ে প্রতিটি শর্ত নিশ্চিত হয়ে নেওয়া উচিত, কারণ ভবিষ্যতে কোনো তথ্যগত অসঙ্গতি হলে তা আবেদনকারীর জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। প্রস্তুতি নেওয়ার পাশাপাশি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করাই হবে সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।


