ঢাবি ক ইউনিট প্রশ্নব্যাংক ২০২৬-২৭ PDF Download

ঢাবি ক ইউনিট প্রশ্নব্যাংক
এই আর্টিকেলে বিস্তারিত সব তথ্য দেওয়া হয়েছে — শেষ পর্যন্ত পড়লে সবকিছু পেয়ে যাবেন।
5/5 - (1 vote)

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিট দেশের সবচেয়ে প্রতিযোগিতামূলক ভর্তি পরীক্ষাগুলোর একটি। প্রতি বছর প্রায় লক্ষাধিক বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী এই ইউনিটে আসনের জন্য লড়াই করে, অথচ আসনসংখ্যা মাত্র হাজার দুয়েক। তাই শুধু পড়াশোনা করলেই হয় না—সঠিক পরিকল্পনা, বিগত বছরের প্রশ্নের প্যাটার্ন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা এবং নিয়মিত মডেল টেস্ট অনুশীলনই একজন ভর্তিচ্ছুকে বাকিদের চেয়ে এগিয়ে রাখে।

এই লেখায় শুধু একটা পিডিএফ লিংক দিয়েই শেষ করা হয়নি। বরং ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় প্রতিটি তথ্য—আবেদনের যোগ্যতা, হালনাগাদ মানবণ্টন, বিষয়ভিত্তিক প্রশ্নসংখ্যা, নেগেটিভ মার্কিং সংক্রান্ত বাস্তব চিত্র, অধ্যায়ভিত্তিক সিলেবাস, মাসভিত্তিক পড়াশোনার রুটিন এবং পরীক্ষার হলের কৌশল—একসাথে গুছিয়ে দেওয়া হয়েছে, যাতে আলাদা আলাদা ওয়েবসাইটে ঘুরে সময় নষ্ট করতে না হয়।

ক ইউনিট আসলে কাদের জন্য

ক ইউনিটে শুধুমাত্র সেই শিক্ষার্থীরাই আবেদন করতে পারে যারা এসএসসি ও এইচএসসি (অথবা সমমান) উভয় পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে উত্তীর্ণ হয়েছে। এই ইউনিটের অধীনে পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত, পরিসংখ্যান, উদ্ভিদবিদ্যা, প্রাণিবিদ্যা, বায়োকেমিস্ট্রি, বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং ও টেকনোলজি বিভাগসহ প্রায় ত্রিশটির বেশি বিভাগ রয়েছে। ফলে ভর্তি হওয়ার পর বিষয় পছন্দের ক্ষেত্রেও যথেষ্ট বৈচিত্র্য পাওয়া যায়—কেউ চাইলে বিশুদ্ধ বিজ্ঞানে যেতে পারে, আবার কেউ ইঞ্জিনিয়ারিং বা ফলিত বিজ্ঞানের দিকে ঝুঁকতে পারে।

আবেদনের যোগ্যতা কেমন হতে হয়

সাধারণত এসএসসি ও এইচএসসি (৪র্থ বিষয়সহ) মিলিয়ে ন্যূনতম মোট জিপিএ ৮.০০ থাকতে হয়, তবে প্রতিটি পরীক্ষায় আলাদাভাবে ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫০ পেতে হবে। অর্থাৎ কোনো একটি পরীক্ষায় জিপিএ কম হলে অন্যটির ভালো ফলাফল দিয়ে তা পুষিয়ে নেওয়া যায় না। মনে রাখা জরুরি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতি বছর ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে এই যোগ্যতা সামান্য পরিবর্তন করে থাকে, তাই আবেদনের আগে অবশ্যই du-admission.org বা বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকারি ওয়েবসাইট থেকে চূড়ান্ত ভর্তি বিজ্ঞপ্তি যাচাই করে নেওয়া উচিত।

ক ইউনিট ভর্তি পরীক্ষার মানবণ্টন—বিস্তারিত

অনেকেই শুধু “১০০ নম্বরের পরীক্ষা” জানলেও ভেতরের গঠন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখেন না। নিচে পুরো কাঠামোটি সহজভাবে দেওয়া হলো:

  • মোট সময়: ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট
  • এমসিকিউ অংশ: ৬০ নম্বর, সময় ৪৫ মিনিট
  • লিখিত (বর্ণনামূলক) অংশ: ৪০ নম্বর, সময় ৪৫ মিনিট
  • উত্তীর্ণ হওয়ার শর্ত: এমসিকিউ ও লিখিত মিলিয়ে সর্বমোট পাস নম্বর ৪০। তবে এমসিকিউতে আলাদাভাবে ন্যূনতম ২৪ নম্বর না পেলে লিখিত খাতা মূল্যায়নই করা হয় না।
  • লিখিত খাতা মূল্যায়ন কাদের হয়: এমসিকিউতে উত্তীর্ণদের মধ্য থেকে মোট আসনসংখ্যার ন্যূনতম পাঁচ গুণ শিক্ষার্থীর লিখিত খাতা মূল্যায়ন করা হয়—বাকিদের লিখিত অংশ যাচাই না করেই ফলাফল থেকে বাদ দেওয়া হয়।
  • নেগেটিভ মার্কিং: প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য নির্দিষ্ট নম্বর কাটা যায় (সাধারণত ০.২৫), তাই আন্দাজে উত্তর করার আগে দুবার ভাবা জরুরি।
  • এসএসসি-এইচএসসি ফলাফলের নম্বর: ভর্তি পরীক্ষার ১০০ নম্বরের সাথে এসএসসি ও এইচএসসিতে প্রাপ্ত জিপিএর ভিত্তিতে অতিরিক্ত নম্বর যোগ হয়ে চূড়ান্ত মেধাতালিকা তৈরি হয়।

এই তথ্যগুলো প্রতি বছর সামান্য পরিবর্তিত হতে পারে বলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তি দেখে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন বণ্টন কেমন হয়

ক ইউনিটের প্রশ্নপত্র মূলত সাতটি বিষয় থেকে তৈরি হয়—বাংলা, ইংরেজি, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত, জীববিজ্ঞান ও সাধারণ জ্ঞান। তবে সবাইকে সাতটি বিষয়ে উত্তর করতে হয় না; নিয়ম অনুযায়ী মোট চারটি বিষয়ে উত্তর করলেই চলে:

  • পদার্থবিজ্ঞান — বাধ্যতামূলক
  • রসায়ন — বাধ্যতামূলক
  • গণিত অথবা জীববিজ্ঞান — এইচএসসিতে যেটি ৪র্থ বিষয় না থাকলে সেটি বাধ্যতামূলক; ৪র্থ বিষয় হলে ঐচ্ছিক
  • বাংলা অথবা ইংরেজি — ৪র্থ বিষয়ের বিকল্প হিসেবে যে কোনো একটি বেছে নেওয়া যায়

অর্থাৎ যারা এইচএসসিতে জীববিজ্ঞান নিয়ে পড়েছে তারা সাধারণত পদার্থ, রসায়ন, জীববিজ্ঞান ও ইংরেজি/বাংলায় উত্তর করে, আর যাদের ৪র্থ বিষয় উচ্চতর গণিত তারা পদার্থ, রসায়ন, গণিত ও ইংরেজি/বাংলা বেছে নিতে পারে। প্রতিটি বিষয় থেকে এমসিকিউ ও লিখিত মিলিয়ে প্রায় সমান হারে প্রশ্ন আসে, তাই কোনো একটি বিষয়ে দুর্বলতা থাকলে তা মোট ফলাফলে সরাসরি প্রভাব ফেলে।

কেন প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট এত গুরুত্বপূর্ণ

ঢাবি ক ইউনিটের প্রশ্নের একটি নিজস্ব ধরন আছে—এখানে সরাসরি সংজ্ঞা মুখস্থ জিজ্ঞেস করার চেয়ে ধারণাভিত্তিক (concept-based), গাণিতিক প্রয়োগভিত্তিক এবং সময়সীমাবদ্ধ দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রশ্ন বেশি আসে। বিগত ১৫-২০ বছরের প্রশ্ন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, একই ধরনের কনসেপ্ট বারবার ভিন্ন ভিন্নভাবে ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে জিজ্ঞেস করা হয়। তাই—

  • প্যাটার্ন চেনা: কোন অধ্যায় থেকে কতবার, কী ধরনের প্রশ্ন এসেছে তা বুঝলে পড়াশোনার অগ্রাধিকার ঠিক করা সহজ হয়।
  • সময় ব্যবস্থাপনা শেখা: ৪৫ মিনিটে ৬০টি এমসিকিউ মানে প্রতি প্রশ্নে গড়ে ৪৫ সেকেন্ডেরও কম সময়। নিয়মিত মডেল টেস্ট দিলে এই গতি রপ্ত হয়।
  • নিজের দুর্বলতা চিহ্নিত করা: মডেল টেস্টের ফলাফল বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায় কোন অধ্যায়ে ভুল বেশি হচ্ছে, ফলে শেষ মুহূর্তে সেই জায়গাগুলোতেই বাড়তি সময় দেওয়া যায়।
  • মানসিক চাপ কমানো: পরীক্ষার হলের পরিবেশ ও সময়সীমা অনুকরণ করে বারবার অনুশীলন করলে পরীক্ষার দিনের নার্ভাসনেস অনেকটাই কমে আসে।

এই কারণেই শুধু পাঠ্যবই পড়ে থেমে না থেকে, নিয়মিত মানসম্মত প্রশ্নব্যাংক অনুশীলন ও পূর্ণাঙ্গ মডেল টেস্ট দেওয়া ভর্তি প্রস্তুতির অবিচ্ছেদ্য অংশ।

এই মুহূর্তে 92 জন ডাউনলোড করছেন

BUET Question Bank 2026-27

বুয়েট প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট প্রিলি (বিগত ১০ বছরের সমাধান)

বিশেষ বৈশিষ্ট্য: বিগত ১০ বছরের বুয়েট ভর্তি পরীক্ষার বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ সমাধান, শর্টকাট কৌশল এবং পূর্ণাঙ্গ মডেল টেস্ট প্রিলি গাইড একসাথে।
অপেক্ষা করুন: 30.00s
গুগল ড্রাইভ থেকে বুয়েট প্রশ্নব্যাংক ফাইলটি প্রস্তুত করা হচ্ছে… দয়া করে অপেক্ষা করুন…

অধ্যায়ভিত্তিক প্রস্তুতি কৌশল

পদার্থবিজ্ঞান

ভেক্টর, নিউটনের সূত্র, কাজ-শক্তি-ক্ষমতা, স্থিতিস্থাপকতা, তরঙ্গ ও শব্দ, তাপগতিবিদ্যা, স্থির ও চল তড়িৎ, চুম্বকত্ব, আলোকবিজ্ঞান এবং আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান (পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞান, ফোটোইলেকট্রিক ইফেক্ট) থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। সূত্র মুখস্থ করার পাশাপাশি প্রতিটি সূত্রের একক ও ব্যবহারিক প্রয়োগ বুঝে অনুশীলন করা জরুরি, কারণ ক ইউনিটে হিসাবভিত্তিক (numerical) প্রশ্নের হার তুলনামূলক বেশি।

রসায়ন

জৈব রসায়নের নামকরণ ও বিক্রিয়া প্রক্রিয়া, রাসায়নিক পরিবর্তন, মোলার ধারণা, তড়িৎ রসায়ন, পর্যায় সারণি ও রাসায়নিক বন্ধন এবং শিল্প রসায়ন থেকে প্রতি বছরই একাধিক প্রশ্ন আসে। জৈব যৌগের বিক্রিয়া মেকানিজম চিত্রসহ বুঝে পড়লে মনে রাখা সহজ হয় এবং লিখিত অংশে ভালো ফল করা যায়।

গণিত (যাদের জন্য প্রযোজ্য)

বীজগণিত, ত্রিকোণমিতি, ক্যালকুলাস (অন্তরীকরণ ও যোগজীকরণ), স্থানাঙ্ক জ্যামিতি এবং ভেক্টর—এই অংশগুলো থেকে সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন আসে। ক্যালকুলাসের মৌলিক সূত্র ও প্রয়োগ দক্ষতার সাথে অনুশীলন করলে অনেক প্রশ্ন দ্রুত সমাধান করা সম্ভব হয়।

জীববিজ্ঞান (যাদের জন্য প্রযোজ্য)

কোষবিদ্যা, জেনেটিক্স, উদ্ভিদ ও প্রাণী শারীরতত্ত্ব, বাস্তুবিদ্যা এবং মানবদেহের বিভিন্ন তন্ত্র থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। চিত্রসহ প্রক্রিয়াগুলো বুঝে পড়লে এমসিকিউ ও লিখিত—দুই অংশেই সুবিধা হয়।

বাংলা, ইংরেজি ও সাধারণ জ্ঞান

যারা ৪র্থ বিষয়ের পরিবর্তে এই বিষয়গুলো বেছে নেয়, তাদের জন্য ব্যাকরণ, শব্দার্থ, গ্রামার (Tense, Voice, Narration, Sentence Correction) এবং সাম্প্রতিক জাতীয়-আন্তর্জাতিক ঘটনাবলি নিয়মিত অনুসরণ করা প্রয়োজন। এই অংশে তুলনামূলক কম সময়ে বেশি নম্বর তোলার সুযোগ থাকে, যদি নিয়মিত চর্চা রাখা যায়।

কার্যকর একটি প্রস্তুতি রুটিন

পরীক্ষার আগে হাতে যত সময়ই থাকুক না কেন, পরিকল্পনাহীন পড়াশোনা সময় নষ্ট করে। নিচের কাঠামো অনুসরণ করা যেতে পারে—

  1. প্রথম ধাপ (তত্ত্বীয় ভিত্তি তৈরি): প্রতিটি বিষয়ের পাঠ্যবই অধ্যায়ভিত্তিকভাবে শেষ করা এবং সাথে সাথে সেই অধ্যায়ের বিগত বছরের প্রশ্ন অনুশীলন করা।
  2. দ্বিতীয় ধাপ (বিষয়ভিত্তিক পূর্ণাঙ্গ অনুশীলন): পুরো সিলেবাস একবার শেষ হওয়ার পর প্রতিটি বিষয়ের আলাদা আলাদা বিষয়ভিত্তিক টেস্ট দিয়ে দুর্বল অধ্যায় চিহ্নিত করা।
  3. তৃতীয় ধাপ (পূর্ণাঙ্গ মডেল টেস্ট): পরীক্ষার ৪-৬ সপ্তাহ আগে থেকে সপ্তাহে অন্তত ২-৩টি পূর্ণাঙ্গ মডেল টেস্ট (৪৫+৪৫ মিনিট সময় মেনে) দেওয়া এবং প্রতিটি টেস্টের পর ভুলগুলো বিশ্লেষণ করা।
  4. শেষ ধাপ (রিভিশন): পরীক্ষার শেষ ৭-১০ দিন নতুন কিছু না পড়ে শুধু সূত্র, ফরমুলা ও ভুল হওয়া প্রশ্নগুলো বারবার রিভিশন দেওয়া।

পরীক্ষার হলে যে ভুলগুলো এড়ানো জরুরি

  • প্রথমেই কঠিন প্রশ্নে আটকে না গিয়ে সহজ প্রশ্নগুলো আগে সমাধান করা উচিত, যাতে সময়ের চাপ কম পড়ে।
  • নেগেটিভ মার্কিংয়ের কারণে সম্পূর্ণ অনিশ্চিত প্রশ্নে আন্দাজে উত্তর না করাই ভালো, তবে দুটি অপশনের মধ্যে একটি নিশ্চিতভাবে বাদ দেওয়া গেলে বাকিটাতে চেষ্টা করা যেতে পারে।
  • লিখিত অংশে প্রশ্নের চাহিদা অনুযায়ী উত্তর দিতে হবে—অতিরিক্ত লিখে সময় নষ্ট করার প্রয়োজন নেই, বরং প্রতিটি ধাপ (স্টেপ) স্পষ্টভাবে দেখানো বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
  • এমসিকিউ ও লিখিত অংশের জন্য বরাদ্দ ৪৫ মিনিট আলাদা, তাই সময় ভাগ করে অনুশীলন করা থাকলে হলে গিয়ে চাপ কম অনুভূত হয়।

প্রয়োজনীয় বই ও রিসোর্স

পাঠ্যবই হিসেবে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (NCTB)-এর একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির পদার্থ, রসায়ন, উচ্চতর গণিত ও জীববিজ্ঞান বইগুলোই মূল ভিত্তি। এর পাশাপাশি একটি মানসম্মত প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট বই সংগ্রহে রাখা উচিত, যেখানে বিগত বছরের প্রশ্নের সঠিক ব্যাখ্যাসহ সমাধান এবং হলের পরিবেশ অনুকরণ করা মডেল টেস্ট থাকে। নিচে এমনই একটি হালনাগাদ প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট পিডিএফ দেওয়া হলো, যা ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের সিলেবাস অনুসরণ করে তৈরি।

ডাউনলোড নির্দেশনা: নিচের ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করলে সম্পূর্ণ প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট পিডিএফটি ওপেন হবে। এরপর ব্রাউজারের ডাউনলোড আইকনে ক্লিক করে নিজের ডিভাইসে সংরক্ষণ করা যাবে।

[এখানে আপনার নিজস্ব ডাউনলোড লিংক/বাটন যুক্ত করুন]

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

১. ক ইউনিটে আবেদনের জন্য ন্যূনতম জিপিএ কত লাগে?
সাধারণত এসএসসি ও এইচএসসি মিলিয়ে মোট জিপিএ ৮.০০ এবং প্রতিটি পরীক্ষায় আলাদাভাবে ন্যূনতম ৩.৫০ লাগে। তবে প্রতি বছর এই যোগ্যতা সামান্য পরিবর্তিত হতে পারে, তাই আবেদনের আগে সর্বশেষ ভর্তি বিজ্ঞপ্তি দেখে নেওয়া উচিত।

২. এমসিকিউতে ভুল উত্তরের জন্য নম্বর কাটা যায় কি?
হ্যাঁ, ক ইউনিটে নেগেটিভ মার্কিং পদ্ধতি চালু আছে। তাই সম্পূর্ণ অনিশ্চিত প্রশ্নে আন্দাজে উত্তর দেওয়ার আগে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

৩. লিখিত পরীক্ষায় বসার জন্য এমসিকিউতে কত নম্বর পেতে হয়?
এমসিকিউতে ন্যূনতম ২৪ নম্বর না পেলে লিখিত খাতা মূল্যায়নের জন্য বিবেচিতই হয় না। তবে এমসিকিউতে উত্তীর্ণ হলেই যে সবার লিখিত খাতা দেখা হবে, তা নয়—আসনসংখ্যার নির্দিষ্ট অনুপাত অনুযায়ী তা নির্ধারিত হয়।

৪. একজন শিক্ষার্থী কয়টি বিষয়ে উত্তর করতে বাধ্য থাকে?
পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন বাধ্যতামূলক। এর সাথে এইচএসসির ৪র্থ বিষয় বিবেচনায় গণিত অথবা জীববিজ্ঞানের একটি এবং বাংলা অথবা ইংরেজির একটি বিষয় মিলিয়ে মোট চারটি বিষয়ে উত্তর করতে হয়।

৫. প্রশ্নব্যাংক পড়লেই কি পরীক্ষায় ভালো করা যায়?
প্রশ্নব্যাংক প্যাটার্ন বোঝা ও সময় ব্যবস্থাপনার জন্য অত্যন্ত সহায়ক, কিন্তু এটি পাঠ্যবইয়ের ধারণাভিত্তিক পড়াশোনার বিকল্প নয়। মূল কনসেপ্ট স্পষ্ট না থাকলে শুধু প্রশ্নব্যাংক মুখস্থ করে ভালো ফল করা কঠিন, কারণ প্রতিবার প্রশ্ন ভিন্নভাবে ঘুরিয়ে জিজ্ঞেস করা হয়।

৬. পরীক্ষার আগে কতগুলো মডেল টেস্ট দেওয়া উচিত?
সিলেবাস শেষ হওয়ার পর অন্তত ১৫-২০টি পূর্ণাঙ্গ মডেল টেস্ট (আসল পরীক্ষার সময়সীমা মেনে) দেওয়া ভালো। প্রতিটি টেস্টের পর ভুল বিশ্লেষণ করাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

৭. পিডিএফটি ডাউনলোড করতে কোনো খরচ আছে কি?
না, এটি সম্পূর্ণ ফ্রি। উপরের নির্দেশনা অনুসরণ করে সরাসরি ডাউনলোড করা যাবে।

৮. এসএসসি-এইচএসসির ফলাফল কি চূড়ান্ত মেধাতালিকায় প্রভাব ফেলে?
হ্যাঁ, ভর্তি পরীক্ষার ১০০ নম্বরের পাশাপাশি এসএসসি ও এইচএসসির জিপিএর ভিত্তিতে অতিরিক্ত নম্বর যোগ করেই চূড়ান্ত মেধাতালিকা প্রস্তুত করা হয়। তাই পরীক্ষার প্রস্তুতির পাশাপাশি বোর্ড পরীক্ষার ফলাফলও সামগ্রিক ফলে প্রভাব ফেলে।

শেষ কথা

ঢাবি ক ইউনিটে ভালো ফল করার মূল চাবিকাঠি হলো—স্পষ্ট কনসেপ্ট, নিয়মিত অনুশীলন এবং সময় ব্যবস্থাপনার দক্ষতা। পাঠ্যবইয়ের তত্ত্বীয় জ্ঞানকে বিগত বছরের প্রশ্নের প্যাটার্নের সাথে মিলিয়ে অনুশীলন করলে এবং নিয়মিত হলের পরিবেশ অনুকরণ করে মডেল টেস্ট দিলে আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়ে যায়। আশা করি এই গাইডটি ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি প্রস্তুতিতে বাস্তব সহায়ক হিসেবে কাজ করবে। প্রস্তুতি সংক্রান্ত যেকোনো প্রশ্ন থাকলে নিচে কমেন্টে জানাতে পারেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top