বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ শাখা থেকে বিএড (ব্যাচেলর অব এডুকেশন) প্রোগ্রামের ২০২৬ সালের পরীক্ষার সময়সূচি (২৬১ তম টার্ম) প্রকাশ করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্টাডি সেন্টারে কর্মরত ও প্রশিক্ষণরত শিক্ষকদের জন্য এই খবরটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই পরীক্ষার ফলের ওপর নির্ভর করে তাদের পেশাগত সনদায়ন প্রক্রিয়া। প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে দেশব্যাপী একযোগে এই পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে।
এই আর্টিকেলে থাকছে সময়সূচির বিস্তারিত তথ্য, শিফট অনুযায়ী পরীক্ষার সময়, ভাইভা ও ব্যবহারিক পরীক্ষার নির্ঘণ্ট, ব্যাচভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা, প্রবেশপত্র সংগ্রহের নিয়ম, প্রস্তুতির পরামর্শ এবং সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের উত্তর।
বিএড পরীক্ষা ২০২৬ (২৬১ টার্ম): মূল তথ্য এক নজরে
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| পরীক্ষার নাম | বিএড (ব্যাচেলর অব এডুকেশন) পরীক্ষা, ২৬১ টার্ম |
| পরিচালনাকারী | বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি) |
| পরীক্ষা শুরু | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ |
| ১ম সেমিস্টার সময় | সকাল ৯:০০ টা থেকে বেলা ১২:০০ টা |
| ২য় সেমিস্টার সময় | বিকেল ২:০০ টা থেকে বিকেল ৫:০০ টা |
| ব্যবহারিক পরীক্ষা (গাজীপুর) | ২১ অক্টোবর ২০২৬ |
| ২য় সেমিস্টার ভাইভা | ২৬ অক্টোবর ২০২৬ |
| ১ম সেমিস্টার ভাইভা | ২৭ অক্টোবর ২০২৬ |
বি.দ্র.: এটি প্রধান তারিখগুলোর সারসংক্ষেপ। কেন্দ্রভিত্তিক ভিন্নতা থাকতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট স্টাডি সেন্টার থেকে নিশ্চিত হওয়া জরুরি।
সেমিস্টারভিত্তিক বিস্তারিত সময়সূচি
বাউবির নিয়ম অনুযায়ী প্রতিদিন দুটি শিফটে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে, যাতে একই দিনে দুই সেমিস্টারের শিক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেন।
১ম সেমিস্টার (শিক্ষাবর্ষ ২০২৬, ব্যাচ-২০২৬ এবং পুরাতন কারিকুলামের ১ম সেমিস্টার): সকাল ৯:০০ টা থেকে বেলা ১২:০০ টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টাব্যাপী পরীক্ষা চলবে।
২য় সেমিস্টার (শিক্ষাবর্ষ ২০২৫, ব্যাচ-২০২৫ এবং পুরাতন কারিকুলামের ২য় সেমিস্টার): বিকেল ২:০০ টা থেকে বিকেল ৫:০০ টা পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
সকাল ও বিকেলের শিফট আলাদা থাকায় যেসব শিক্ষার্থী নিয়মিত-অনিয়মিত মিলিয়ে দুই সেমিস্টারেই পরীক্ষা দিচ্ছেন, তাদের জন্য একই দিনে দুটি পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। এই বিরতি বিবেচনায় রেখে কেন্দ্রে পৌঁছানোর সময়সূচি নিজে থেকে ঠিক করে নেওয়া উচিত, বিশেষত যারা দূরবর্তী উপজেলা থেকে শহরের কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে যাবেন।
ব্যাচভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা
এই পরীক্ষা বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীদের জন্য ভিন্ন ভিন্ন গুরুত্ব বহন করছে:
- ২০১৮ ব্যাচ: এটিই তাদের জন্য সর্বশেষ পরীক্ষার সুযোগ। এই সুযোগে যারা উত্তীর্ণ হতে পারবেন না, তাদের প্রোগ্রাম সম্পন্ন করার আর কোনো সুযোগ থাকবে না বলে বাউবির নিয়মে উল্লেখ আছে। তাই এই ব্যাচের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া সবচেয়ে জরুরি।
- ২০১৭ ব্যাচ (রেজিস্ট্রেশনকৃত): এই পরীক্ষা তাদের জন্য সুযোগ-২ হিসেবে গণ্য হবে।
- ২০১৬ ব্যাচ: এই পরীক্ষা তাদের জন্য সুযোগ-১ হিসেবে গণ্য হবে।
যেহেতু বাউবির সাধারণ নিয়মে একটি নির্দিষ্ট ব্যাচকে সীমিতসংখ্যক সুযোগ দেওয়া হয়, তাই কোন সুযোগে পরীক্ষা দিচ্ছেন তা নিজের স্টাডি সেন্টার বা রেজিস্ট্রেশন কার্ড থেকে যাচাই করে নেওয়া উচিত। ভুল ব্যাচ-তথ্যে ফরম পূরণ করলে ফল প্রকাশে জটিলতা হতে পারে।
রিপোর্ট জমাদানের নিয়ম
তাত্ত্বিক পরীক্ষার পাশাপাশি নিচের রিপোর্টগুলো পরীক্ষার দিনই জমা দিতে হবে:
- দ্বিমুখী কাজ (Two-way Task) সংক্রান্ত রিপোর্ট
- শিক্ষার গবেষণা (Educational Research) রিপোর্ট
- কর্মসহায়ক গবেষণা (Action Research) রিপোর্ট
এই তিনটি রিপোর্ট নির্ধারিত ফরম্যাটে প্রস্তুত না থাকলে পরীক্ষার হলে জমা দেওয়া যাবে না, তাই আগে থেকেই সংশ্লিষ্ট স্টাডি সেন্টার বা টিউটরের কাছ থেকে ফরম্যাট সংগ্রহ করে রাখা ভালো। রিপোর্ট দেরিতে বা অসম্পূর্ণ অবস্থায় জমা দিলে নম্বর কর্তনের ঝুঁকি থাকে।
গাজীপুর রানী মডেল স্টাডি সেন্টারের বিশেষ সময়সূচি
গাজীপুর রানী মডেল স্টাডি সেন্টারের ক্ষেত্রে আলাদা সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে:
ব্যবহারিক পরীক্ষা (১ম সেমিস্টারের “শিক্ষায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি” এবং ২য় সেমিস্টার-অনিয়মিতের “মৌলিক কম্পিউটার দক্ষতা”): ২১ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ৯:৩০ টা থেকে বেলা ১১:০০ টা পর্যন্ত।
১ম সেমিস্টার মৌখিক পরীক্ষা (ভাইভা) (শিক্ষাবর্ষ ২০২৬, ব্যাচ-২০২৬): ২৭ অক্টোবর ২০২৬, বেলা ১১:০০ টা থেকে দুপুর ১২:৩০ টা পর্যন্ত।
২য় সেমিস্টার মৌখিক পরীক্ষা (ভাইভা) (শিক্ষাবর্ষ ২০২৫, ব্যাচ-২০২৫): ২৬ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ১০:০০ টা থেকে দুপুর ১২:৩০ টা পর্যন্ত।
অন্যান্য স্টাডি সেন্টারে ব্যবহারিক ও ভাইভা পরীক্ষার তারিখ ভিন্ন হতে পারে বলে নিজ নিজ কেন্দ্রের নোটিশ বোর্ড বা কেন্দ্র সমন্বয়কের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন — কারণ বাউবির প্রকাশিত মূল বিজ্ঞপ্তিতে শুধু গাজীপুর কেন্দ্রের সময়সূচি সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রবেশপত্র (অ্যাডমিট কার্ড) সংগ্রহের প্রক্রিয়া
বাউবির পরীক্ষায় অংশ নিতে হলে অনলাইনে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করে সংগ্রহ করতে হয়। সাধারণত এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়:
- বাউবির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট bou.ac.bd-এ প্রবেশ করতে হবে
- পরীক্ষা/এক্সামিনেশন সংক্রান্ত মেনু থেকে “Admit Card” বা “প্রবেশপত্র” অপশনে যেতে হবে
- নিজের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে লগইন করতে হবে
- প্রবেশপত্র ডাউনলোড করে প্রিন্ট নিয়ে রাখতে হবে
প্রবেশপত্র সাধারণত পরীক্ষা শুরুর কয়েক সপ্তাহ আগে সক্রিয় হয়। এটি ছাড়া কেন্দ্রে প্রবেশের অনুমতি না-ও মিলতে পারে, তাই পরীক্ষার অন্তত ৭-১০ দিন আগেই প্রবেশপত্র সংগ্রহ ও প্রিন্ট করে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। প্রবেশপত্রে থাকা নাম, রোল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও ছবি সঠিক আছে কি না তা যাচাই করে নেওয়াও জরুরি — কোনো গরমিল থাকলে দ্রুত স্টাডি সেন্টারে জানানো উচিত।
পরীক্ষায় অংশগ্রহণের আগে করণীয় (প্রস্তুতি পরামর্শ)
- সিলেবাস পুনরায় দেখে নিন: প্রতিটি কোর্সের নির্ধারিত সিলেবাস অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় ও পূর্ববর্তী বছরের প্রশ্নপত্র বিশ্লেষণ করে প্রস্তুতি নিন।
- প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গুছিয়ে রাখুন: প্রবেশপত্র, রেজিস্ট্রেশন কার্ড, জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্মনিবন্ধন সনদের ফটোকপি সঙ্গে রাখুন।
- রিপোর্ট আগেই প্রস্তুত করুন: দ্বিমুখী কাজ, শিক্ষার গবেষণা ও কর্মসহায়ক গবেষণার রিপোর্ট নির্ধারিত ফরম্যাটে আগেভাগেই তৈরি করে বাঁধাই করে রাখুন, শেষ মুহূর্তে তাড়াহুড়া এড়াতে।
- ভাইভার প্রস্তুতি নিন: পাঠদান অনুশীলন ও শ্রেণিকক্ষ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত প্রশ্নের জন্য নিজের ইন্টার্নশিপ/প্র্যাক্টিকাম অভিজ্ঞতা গুছিয়ে রাখুন, কারণ ভাইভা বোর্ডে বাস্তব শিক্ষকতা অভিজ্ঞতা নিয়েই বেশি প্রশ্ন করা হয়।
- কেন্দ্রের অবস্থান আগেই জেনে নিন: পরীক্ষার দিন সময়মতো পৌঁছাতে কেন্দ্রের সঠিক ঠিকানা ও যাতায়াত ব্যবস্থা আগে থেকে জেনে রাখুন, বিশেষত যাদের কেন্দ্র পরিবর্তন হয়েছে।
যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি
সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে ভুয়া নোটিশ ও গুজব ছড়ানোর ঘটনা দেখা যাচ্ছে। তাই কয়েকটি বিষয়ে সতর্ক থাকা উচিত:
- রুটিন বা তারিখ সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য শুধুমাত্র বাউবির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (bou.ac.bd) বা নিজ নিজ স্টাডি সেন্টারের মাধ্যমে যাচাই করুন। ফেসবুক গ্রুপ বা অপরিচিত পেজের তথ্যের ওপর নির্ভর করা ঝুঁকিপূর্ণ।
- কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনে সময়সূচিতে পরিবর্তন আনার অধিকার রাখে, তাই পরীক্ষার আগের দিন পর্যন্ত নোটিশ বোর্ড নিয়মিত দেখা উচিত।
- প্রবেশপত্র, রেজিস্ট্রেশন বা ফলাফল সংক্রান্ত কোনো লেনদেনের প্রস্তাব পেলে তা প্রতারণা হতে পারে বলে বিবেচনা করে সরাসরি বাউবির পরীক্ষা শাখার সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএড প্রোগ্রাম সম্পর্কে সংক্ষেপে
বাউবির বিএড প্রোগ্রামটি মূলত কর্মরত শিক্ষকদের পেশাগত যোগ্যতা অর্জনের জন্য ডিজাইন করা একটি দূরশিক্ষণ কোর্স। এমপিওভুক্ত ও নন-এমপিও উভয় ধরনের স্কুল-কলেজ শিক্ষকরাই এই প্রোগ্রামে ভর্তি হতে পারেন। প্রোগ্রামটি দুই সেমিস্টারে বিভক্ত এবং প্রতিটি সেমিস্টারে তাত্ত্বিক পরীক্ষার পাশাপাশি ব্যবহারিক পরীক্ষা, পাঠদান অনুশীলন (প্র্যাক্টিকাম) মূল্যায়ন এবং মৌখিক পরীক্ষা (ভাইভা) সম্পন্ন করতে হয়। এই বহুমাত্রিক মূল্যায়ন পদ্ধতির কারণে বাউবির বিএড সনদ শিক্ষকতা পেশায় নিয়োগ ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
প্রশ্ন: বাউবি বিএড পরীক্ষা ২০২৬ কবে থেকে শুরু হবে?
উত্তর: আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে দেশব্যাপী একযোগে এই পরীক্ষা শুরু হবে।
প্রশ্ন: ১ম ও ২য় সেমিস্টারের পরীক্ষার সময় কী আলাদা?
উত্তর: হ্যাঁ। ১ম সেমিস্টারের পরীক্ষা সকাল ৯টা থেকে ১২টা এবং ২য় সেমিস্টারের পরীক্ষা বিকেল ২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।
প্রশ্ন: ২০১৮ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের জন্য এই পরীক্ষার গুরুত্ব কী?
উত্তর: ২০১৮ ব্যাচের জন্য এটিই সর্বশেষ পরীক্ষার সুযোগ, তাই এই সুযোগ কাজে লাগানো তাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি।
প্রশ্ন: রিপোর্টগুলো কীভাবে ও কখন জমা দিতে হবে?
উত্তর: দ্বিমুখী কাজ, শিক্ষার গবেষণা ও কর্মসহায়ক গবেষণার রিপোর্ট পরীক্ষার দিনই নির্ধারিত ফরম্যাটে জমা দিতে হবে।
প্রশ্ন: রুটিনে পরিবর্তন আসতে পারে কি?
উত্তর: হ্যাঁ, কর্তৃপক্ষ প্রয়োজন মনে করলে সময়সূচিতে পরিবর্তন আনার অধিকার সংরক্ষণ করে। তাই নিয়মিত বাউবির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট দেখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
প্রশ্ন: হালনাগাদ তথ্যের জন্য কোথায় দেখব?
উত্তর: সর্বশেষ ও নির্ভরযোগ্য তথ্যের জন্য বাউবির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট bou.ac.bd নিয়মিত দেখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, কারণ সেখানেই কর্তৃপক্ষ যেকোনো হালনাগাদ নোটিশ প্রকাশ করে।
শেষ কথা
বাউবির বিএড পরীক্ষা ২০২৬-এর সময়সূচি প্রকাশের মধ্য দিয়ে হাজারো কর্মরত শিক্ষকের প্রতীক্ষার অবসান হয়েছে। তাত্ত্বিক পরীক্ষা, ভাইভা, ব্যবহারিক পরীক্ষা ও রিপোর্ট জমাদানের প্রতিটি ধাপ সময়মতো ও সঠিকভাবে সম্পন্ন করলেই কেবল সনদায়ন প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হবে। বিশেষত ২০১৮ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের জন্য এই পরীক্ষা শেষ সুযোগ হওয়ায় প্রস্তুতিতে কোনো ঘাটতি না রাখাই শ্রেয়। সবশেষ ও নির্ভুল তথ্যের জন্য পরীক্ষার আগ পর্যন্ত বাউবির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এবং নিজ নিজ স্টাডি সেন্টারের নোটিশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ শাখার প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি। প্রকৃত ও হালনাগাদ তথ্যের জন্য bou.ac.bd দেখুন।



