বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় নবম শ্রেণি থেকেই শিক্ষার্থীদের তিনটি ভাগে ভাগ করা হয় — বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা এবং মানবিক বা আর্টস। এর মধ্যে আর্টস বিভাগ নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মনে সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন থাকে, কারণ অনেকেই মনে করেন আর্টসে সাবজেক্টের সংখ্যা কম বা সুযোগ সীমিত। বাস্তবতা কিন্তু সম্পূর্ণ ভিন্ন। আর্টস বিভাগে এসএসসি থেকে অনার্স পর্যন্ত এমন অনেক বিষয় আছে যেগুলো পড়ে শিক্ষার্থীরা শিক্ষকতা, সাংবাদিকতা, আইন, সরকারি চাকরি (বিসিএস), কূটনীতি, সমাজকর্ম এমনকি ব্যাংকিং সেক্টরেও দারুণ ক্যারিয়ার গড়তে পারে।
এই লেখায় আমরা এসএসসি, এইচএসসি এবং অনার্স — তিন স্তরেই আর্টস এর সাবজেক্ট কি কি তা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরবো। পাশাপাশি সাবজেক্ট বাছাইয়ের নিয়ম, নম্বর বিভাজন, ক্যারিয়ার সম্ভাবনা এবং শিক্ষার্থীরা যেসব ভুল সবচেয়ে বেশি করে থাকে সেগুলোও আলোচনা করা হয়েছে।
আর্টস বা মানবিক বিভাগ আসলে কী?
আর্টস বিভাগকে বাংলায় “মানবিক” বলা হয়, ইংরেজিতে Humanities। এই বিভাগে মূলত সমাজ, ইতিহাস, রাজনীতি, অর্থনীতি, ভাষা ও সংস্কৃতি সম্পর্কিত বিষয়গুলো পড়ানো হয়। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (NCTB) এসএসসি ও এইচএসসি স্তরের পাঠ্যসূচি নির্ধারণ করে, আর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (UGC) এর অধীনে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য পাবলিক-প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় অনার্স পর্যায়ের কোর্স পরিচালনা করে।
অনেকের ধারণা আর্টস মানেই “সহজ পড়াশোনা”, কিন্তু বাস্তবে আর্টসের বিষয়গুলোতে প্রচুর বিশ্লেষণধর্মী লেখা, তত্ত্ব মুখস্থ এবং যুক্তিনির্ভর উত্তর লেখার দক্ষতা লাগে — যা বিজ্ঞান বা ব্যবসায় শিক্ষার চেয়ে ভিন্ন ধরনের পরিশ্রম দাবি করে।
এসএসসি লেভেলে আর্টস এর সাবজেক্ট কি কি (নবম-দশম শ্রেণি)
নবম শ্রেণিতে ওঠার সময় শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা বা মানবিক বিভাগ বেছে নেয়। মানবিক বিভাগে নিচের বিষয়গুলো পড়তে হয়।
আবশ্যিক (Compulsory) বিষয়সমূহ
সব বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্যই এই বিষয়গুলো বাধ্যতামূলক:
- বাংলা ১ম ও ২য় পত্র
- ইংরেজি ১ম ও ২য় পত্র
- সাধারণ গণিত
- ধর্ম শিক্ষা (ইসলাম শিক্ষা/হিন্দুধর্ম শিক্ষা/খ্রিস্টধর্ম শিক্ষা/বৌদ্ধধর্ম শিক্ষা — নিজ ধর্ম অনুযায়ী)
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT)
- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়
- ব্যবহারিক জীবন ও জীবিকা (২০২৩ শিক্ষাক্রম অনুযায়ী নতুন সংযোজন)
মানবিক বিভাগের ঐচ্ছিক (Group) বিষয়সমূহ
মানবিক বিভাগের মূল পরিচয় বহন করে এই বিষয়গুলো। সাধারণত শিক্ষার্থীকে এখান থেকে তিনটি বিষয় নিতে হয়:
- ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা
- ভূগোল ও পরিবেশ
- পৌরনীতি ও নাগরিকতা
- অর্থনীতি
চতুর্থ বা অতিরিক্ক্ত বিষয় (৪র্থ বিষয়)
জিপিএ বাড়ানোর জন্য শিক্ষার্থীরা একটি অতিরিক্ত বিষয় নিতে পারে, যেমন:
- কৃষিশিক্ষা
- গার্হস্থ্য বিজ্ঞান
- শারীরিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য
- সাধারণ বিজ্ঞান (কিছু প্রতিষ্ঠানে)
গুরুত্বপূর্ণ টিপস: এসএসসিতে ভালো ফলাফলের জন্য ইতিহাস ও পৌরনীতির মতো বিষয়ে নিয়মিত লেখার অনুশীলন জরুরি, কারণ এগুলোতে সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর বড় করে লিখতে হয়। মুখস্থের পাশাপাশি বোঝার ওপর জোর দিলে নম্বর বেশি পাওয়া যায়।
এইচএসসি লেভেলে আর্টস এর সাবজেক্ট কি কি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি)
এইচএসসি পর্যায়ে এসে বিষয়ভিত্তিক গভীরতা অনেক বেড়ে যায়। প্রতিটি ঐচ্ছিক বিষয়ে দুটি করে পত্র (১ম ও ২য়) থাকে, যা এসএসসির তুলনায় অনেক বেশি বিস্তৃত।
আবশ্যিক বিষয়সমূহ
- বাংলা ১ম ও ২য় পত্র
- ইংরেজি ১ম ও ২য় পত্র
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT)
ঐচ্ছিক বিষয়সমূহ (৩টি বিষয়, প্রতিটিতে ২ পত্র)
- ইতিহাস (১ম ও ২য় পত্র)
- ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি
- পৌরনীতি ও সুশাসন
- অর্থনীতি
- যুক্তিবিদ্যা (Logic)
- সমাজবিজ্ঞান
- সমাজকর্ম
- ভূগোল ও পরিবেশ
- মনোবিজ্ঞান (কিছু কলেজে সীমিত আকারে পাওয়া যায়)
চতুর্থ বিষয়
- পরিসংখ্যান
- গার্হস্থ্য বিজ্ঞান
- কৃষিশিক্ষা
নিচের টেবিলে জনপ্রিয় বিষয়গুলোর সংক্ষিপ্ত তুলনা দেওয়া হলো, যা সাবজেক্ট বাছাইয়ে সহায়ক হবে:
| বিষয় | কেন পড়বেন | কোন ক্যারিয়ারে সহায়ক |
|---|---|---|
| অর্থনীতি | বিশ্লেষণধর্মী ও গাণিতিক উপাদান আছে | ব্যাংকিং, বিসিএস, গবেষণা |
| পৌরনীতি ও সুশাসন | প্রশাসনিক জ্ঞান তৈরি করে | বিসিএস প্রশাসন ক্যাডার |
| সমাজবিজ্ঞান | সমাজ ও মানুষ বোঝার সুযোগ | এনজিও, সমাজকর্ম, সাংবাদিকতা |
| ইতিহাস | বিশ্লেষণী লেখার দক্ষতা বাড়ায় | শিক্ষকতা, গবেষণা, বিসিএস |
| ভূগোল ও পরিবেশ | মানচিত্র ও পরিবেশনির্ভর বিষয় | পরিবেশ অধিদপ্তর, পরিকল্পনা |
| যুক্তিবিদ্যা | যুক্তি ও বিশ্লেষণী চিন্তা গড়ে | আইন, গবেষণা |
টিপস: যারা বিজ্ঞান থেকে এইচএসসিতে মানবিকে আসতে চান, তাদের জন্য কলেজ পরিবর্তনের নিয়ম যাচাই করা জরুরি — সাধারণত ভর্তির সময়েই গ্রুপ পরিবর্তনের সুযোগ থাকে, পরে পরিবর্তন করা কঠিন হয়ে পড়ে।
অনার্স লেভেলে আর্টস এর সাবজেক্ট কি কি
এইচএসসি শেষে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ব্যাচেলর অব আর্টস (বিএ) অনার্স ৪ বছর মেয়াদী প্রোগ্রাম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোতে এই সুযোগ রয়েছে।
কলা অনুষদের সাধারণ বিভাগসমূহ
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য
- ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য
- ইতিহাস
- ইসলামিক স্টাডিজ
- দর্শন
- আরবি
- সংস্কৃত
- পালি ও বৌদ্ধ স্টাডিজ
- নাট্যকলা
- সংগীত
- চারুকলা (Fine Arts)
- ভাস্কর্য ও চিত্রকলা
সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত জনপ্রিয় বিষয়সমূহ (সাধারণত আর্টস স্টুডেন্টরা এখানেও ভর্তি হন)
- রাষ্ট্রবিজ্ঞান
- সমাজবিজ্ঞান
- অর্থনীতি
- আন্তর্জাতিক সম্পর্ক
- লোকপ্রশাসন (Public Administration)
- গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা
- সমাজকর্ম
- নৃবিজ্ঞান (Anthropology)
- উন্নয়ন অধ্যয়ন (Development Studies)
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএ অনার্স ভর্তি প্রক্রিয়া
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সাধারণত এইচএসসি পাসের পর অনলাইনে আবেদন করতে হয়, যেখানে এসএসসি ও এইচএসসির জিপিএর ভিত্তিতে মেধাতালিকা তৈরি হয় (আলাদা ভর্তি পরীক্ষা ছাড়াই)। অন্যদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে “কলা ও আইন অনুষদ” বা “সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ” এর অধীনে আলাদা ইউনিট ভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষা দিতে হয়।
প্রোগ্রাম কাঠামো
- মেয়াদ: ৪ বছর, ৮ সেমিস্টার বা বার্ষিক পদ্ধতি (বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে ভিন্ন)
- ১ম বর্ষে সাধারণত সাধারণ শিক্ষার (General Education) কোর্স থাকে
- ২য় বর্ষ থেকে মেজর বিষয়ে গভীর পড়াশোনা শুরু হয়
- সাথে মাইনর বা সাবসিডিয়ারি বিষয় নেওয়ার সুযোগ থাকে
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে আর্টসের সমতুল্য ধারা
যারা মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পড়েন, তাদের জন্য “মানবিক” বিভাগের বদলে সাধারণত সাধারণ শাখা বা মুজাব্বিদ শাখায় ইতিহাস, ভূগোল, অর্থনীতির মতো বিষয় পড়ানো হয়, পাশাপাশি আরবি, হাদিস, ফিকহ, আকাইদের মতো ধর্মীয় বিষয় যুক্ত থাকে। আলিম পাসের পর ফাজিল (স্নাতক সমমান) স্তরে ইসলামিক স্টাডিজ, আরবি সাহিত্য বা দাওয়াহ স্টাডিজের মতো বিষয়ে অনার্স করার সুযোগ রয়েছে।
আর্টস থেকে বিসিএস ক্যাডার: কোন বিষয় কতটা কাজে লাগে
আর্টসের শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ বিসিএস প্রশাসন, পুলিশ, পররাষ্ট্র বা শিক্ষা ক্যাডারে ক্যারিয়ার গড়েন। কিছু বিষয়ের প্রাসঙ্গিকতা নিচে তুলে ধরা হলো:
- রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও পৌরনীতি: প্রশাসন ক্যাডারের সিলেবাসের সাথে সরাসরি সাদৃশ্যপূর্ণ
- অর্থনীতি: বিসিএসের সাধারণ জ্ঞান অংশে বাংলাদেশ অর্থনীতি বিষয়ক প্রশ্নে সরাসরি সহায়ক
- ইতিহাস: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতে ভালো ভিত্তি তৈরি করে
- ইংরেজি সাহিত্য: ইংরেজি ভাষাগত দক্ষতা ও লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সহায়ক
আর্টস বিভাগ কেন বেছে নেবেন: সুযোগ ও ক্যারিয়ার
আর্টস বিভাগকে অনেকেই “কম সুযোগের বিভাগ” মনে করলেও বাস্তবে এখান থেকে বহুমুখী ক্যারিয়ার সম্ভব:
- শিক্ষকতা: স্কুল-কলেজে বিভিন্ন বিষয়ের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ
- সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম: গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের গ্র্যাজুয়েটদের জন্য বড় সুযোগ
- আইন পেশা: এলএলবি করে আইনজীবী বা বিচার বিভাগে ক্যারিয়ার
- সরকারি চাকরি: বিসিএসসহ বিভিন্ন সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় আর্টসের শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকেন
- এনজিও ও উন্নয়ন খাত: সমাজকর্ম, উন্নয়ন অধ্যয়নের গ্র্যাজুয়েটদের চাহিদা বেশি
- কূটনীতি: আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা দূতাবাসে ক্যারিয়ার
- ব্যাংকিং: অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীরা ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় ভালো করেন
সাবজেক্ট বাছাইয়ে সাধারণ ভুলগুলো এড়িয়ে চলুন
- শুধু “সহজ” মনে করে বিষয় নির্বাচন করা, আগ্রহ যাচাই না করে
- ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার লক্ষ্য না ভেবেই এইচএসসিতে ঐচ্ছিক বিষয় বাছাই করা
- ৪র্থ বিষয় নির্বাচনে না ভেবে দুর্বল বিষয় বেছে নেওয়া, যা জিপিএ কমিয়ে দিতে পারে
- অনার্সে ভর্তির সময় শুধু আসন সংখ্যা দেখে বিভাগ বাছাই করা, বিষয়বস্তু না জেনে
বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও আর্টস: সংক্ষিপ্ত তুলনা
| বিষয় | আর্টস | বিজ্ঞান | ব্যবসায় শিক্ষা |
|---|---|---|---|
| মূল ফোকাস | সমাজ, ইতিহাস, ভাষা | গণিত, পদার্থ, রসায়ন, জীববিজ্ঞান | হিসাববিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা |
| গাণিতিক চাপ | তুলনামূলক কম | সবচেয়ে বেশি | মাঝারি |
| জনপ্রিয় ক্যারিয়ার | শিক্ষকতা, বিসিএস, সাংবাদিকতা | ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিকেল | ব্যাংকিং, ব্যবসা, হিসাবরক্ষণ |
| বিষয় পরিবর্তনের সুযোগ | বিজ্ঞান/কমার্স থেকে আসা তুলনামূলক সহজ | অন্য বিভাগে যাওয়া কঠিন | মাঝারি নমনীয়তা |
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
এসএসসি ও এইচএসসির আর্টস সাবজেক্টের মূল পার্থক্য কী?
এসএসসিতে বিষয়গুলোর ভিত্তি তৈরি হয়, একটি পত্রেই পুরো বিষয় শেষ হয়। এইচএসসিতে প্রতিটি ঐচ্ছিক বিষয়ে দুটি পত্র থাকে এবং পাঠ্যসূচি অনেক গভীর হয়।
বিজ্ঞান থেকে এইচএসসিতে আর্টসে আসা যায় কি?
হ্যাঁ, সাধারণত ভর্তির সময় গ্রুপ পরিবর্তনের সুযোগ থাকে, তবে কলেজভেদে নিয়ম ভিন্ন হতে পারে, তাই ভর্তির আগে নিজ কলেজে খোঁজ নেওয়া উচিত।
আর্টস কি বিজ্ঞানের চেয়ে সহজ?
এটি নির্ভর করে শিক্ষার্থীর আগ্রহের উপর। আর্টসে গাণিতিক চাপ কম থাকলেও প্রচুর লেখা, বিশ্লেষণ ও মুখস্থবিদ্যা লাগে, যা অনেকের কাছে সহজ মনে না-ও হতে পারে।
আর্টস থেকে পড়াশোনা শেষে কোন কোন চাকরির সুযোগ আছে?
শিক্ষকতা, বিসিএস (প্রশাসন, পুলিশ, পররাষ্ট্র, শিক্ষা ক্যাডার), সাংবাদিকতা, ব্যাংকিং, এনজিও, আইন পেশা এবং গবেষণা খাতে বিস্তৃত সুযোগ রয়েছে।
অনার্সে ভর্তির জন্য কোন বিষয়গুলো বেশি চাহিদাসম্পন্ন?
বাংলা, ইংরেজি, অর্থনীতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও ইতিহাস বিভাগে সাধারণত আসনপ্রতি আবেদনকারীর সংখ্যা বেশি থাকে।
শেষ কথা
আর্টস বা মানবিক বিভাগ কোনোভাবেই সীমিত সুযোগের বিভাগ নয় — বরং এটি এমন একটি ধারা যেখান থেকে শিক্ষকতা থেকে শুরু করে কূটনীতি পর্যন্ত বহুমুখী ক্যারিয়ার সম্ভব। এসএসসি, এইচএসসি বা অনার্স — যে স্তরেই থাকুন না কেন, নিজের আগ্রহ ও দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য মাথায় রেখে বিষয় নির্বাচন করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সর্বশেষ ও নির্ভরযোগ্য পাঠ্যসূচির জন্য NCTB ও UGC-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট নিয়মিত দেখে নেওয়ার পরামর্শ থাকলো।



