উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনের নতুন সময়সূচী ও ছুটির দিন

উপকূল এক্সপ্রেস
এই আর্টিকেলে বিস্তারিত সব তথ্য দেওয়া হয়েছে — শেষ পর্যন্ত পড়লে সবকিছু পেয়ে যাবেন।
5/5 - (1 vote)

নোয়াখালীর মানুষের কাছে উপকূল এক্সপ্রেস শুধু একটা ট্রেন নয়, এটা অনেকটা প্রতিদিনের জীবনের অংশ। ঢাকায় চাকরি করা মানুষ ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফেরে এই ট্রেনেই, আবার নোয়াখালী থেকে পড়াশোনার জন্য ঢাকায় আসা শিক্ষার্থীরাও এই ট্রেনের সময়ের সাথে নিজেদের রুটিন মিলিয়ে নেয়। ১৯৮৬ সালের ১৭ই জানুয়ারি চালু হওয়া এই মিটারগেজ আন্তঃনগর ট্রেনটি প্রায় চার দশক ধরে ঢাকা আর নোয়াখালীর মাঝে একটা নির্ভরযোগ্য সেতুবন্ধন হয়ে আছে।

তবে সমস্যা হলো, বাংলাদেশ রেলওয়ে মাঝেমধ্যেই সময়সূচী ও সাপ্তাহিক বন্ধের দিন পরিবর্তন করে, আর অনেক ওয়েবসাইটেই পুরনো তথ্য থেকে যায়। ফলে অনেকেই স্টেশনে গিয়ে দেখেন ট্রেন সেদিন বন্ধ, বা টিকিট কাটতে গিয়ে ভুল সময় দেখে বিভ্রান্ত হন। এই আর্টিকেলে আমরা উপকূল এক্সপ্রেসের সর্বশেষ সাপ্তাহিক ছুটির দিন, আপডেটেড সময়সূচী, ভাড়ার তালিকা, স্টপেজ স্টেশন এবং অনলাইনে টিকিট কাটার পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব — যাতে আপনার যাত্রা পরিকল্পনায় কোনো বিভ্রান্তি না থাকে।

উপকূল এক্সপ্রেস সাপ্তাহিক ছুটির দিন

বাংলাদেশ রেলওয়ের ২০২৫ সালের নতুন প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী উপকূল এক্সপ্রেসের সাপ্তাহিক বন্ধের দিন পরিবর্তন করা হয়েছে, যা ১০ই আগস্ট থেকে কার্যকর হয়েছে। আগে ঢাকা থেকে নোয়াখালীগামী ট্রেন মঙ্গলবার এবং নোয়াখালী থেকে ঢাকাগামী ট্রেন বুধবার বন্ধ থাকত। নতুন নিয়মে এই দিনগুলো একদিন করে পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।

নতুন সাপ্তাহিক বন্ধের দিন যেভাবে বুঝবেন:

  • ৭১১ নং ট্রেন (নোয়াখালী → ঢাকা): প্রতি বৃহস্পতিবার বন্ধ থাকে।
  • ৭১২ নং ট্রেন (ঢাকা → নোয়াখালী): প্রতি বুধবার বন্ধ থাকে।

অর্থাৎ সহজ ভাষায় বললে, বুধবার এবং বৃহস্পতিবার — এই দুই দিনের যেকোনো একদিন ট্রেনটি একদিকে চলাচল করে না। যারা নিয়মিত এই রুটে যাতায়াত করেন, তাদের জন্য পরামর্শ থাকবে — টিকিট কাটার আগে অবশ্যই eticket.railway.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে নির্দিষ্ট তারিখের সিট খালি আছে কিনা যাচাই করে নেওয়া, কারণ সরকারি ছুটি বা উৎসবের সময় রেলওয়ে সাময়িকভাবে বন্ধের দিনের নিয়মেও পরিবর্তন আনতে পারে।

একটা বিষয় মাথায় রাখা ভালো — বাংলাদেশ রেলওয়ে বছরে একাধিকবার প্রজ্ঞাপন জারি করে ট্রেনের অফ-ডে পরিবর্তন করে থাকে। তাই ভ্রমণের অন্তত এক-দুই দিন আগে রেলওয়ের হেল্পলাইন ১৩১ নম্বরে কল করে বা অনলাইন টিকিটিং সাইটে গিয়ে নিশ্চিত হয়ে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

উপকূল এক্সপ্রেস নতুন সময়সূচী

নতুন সময়সূচী অনুযায়ী উপকূল এক্সপ্রেস দিনে একবার করে দুই দিক থেকে যাত্রা করে। নোয়াখালী থেকে ছাড়ে সকালে, আবার ঢাকা থেকে ছাড়ে বিকেলে — এতে করে যাত্রীরা দিনের একটা বড় অংশ ঢাকায় কাজ সেরে সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরতে পারেন, আবার সকালে নোয়াখালী থেকে রওনা দিয়ে দুপুরের মধ্যেই ঢাকায় পৌঁছে যেতে পারেন।

দিকট্রেন নম্বরছাড়ার সময়পৌঁছানোর সময়মোট যাত্রা সময়সাপ্তাহিক বন্ধ
নোয়াখালী → ঢাকা৭১১সকাল ০৬:০০সকাল ১১:০০প্রায় ৫ ঘণ্টাবৃহস্পতিবার
ঢাকা → নোয়াখালী৭১২বিকাল ০৩:১০রাত ০৮:২০প্রায় ৫ ঘণ্টা ১০ মিনিটবুধবার

ঢাকা টু নোয়াখালী উপকূল এক্সপ্রেস সময়সূচী (৭১২)

স্টেশনের নামসময়সূচী
ঢাকা কমলাপুরবিকাল ০৩:১০
বিমান বন্দরবিকাল ০৩:৩৩
নরসিংদীবিকাল ০৪:১৭
ভৈরব বাজারবিকাল ০৪:৫০
আশুগঞ্জবিকাল ০৫:০০
ব্রাহ্মণবাড়িয়াবিকাল ০৫:১৭
আখাউড়াবিকাল ০৫:৪৭
কসবাসন্ধ্যা ০৬:০৬
কুমিল্লাসন্ধ্যা ০৬:৩৮
লাকসামসন্ধ্যা ০৭:০৩
নাথেরপেটুয়াসন্ধ্যা ০৭:২৮
সোনাইমুড়িসন্ধ্যা ০৭:৪২
বজরাসন্ধ্যা ০৭:৫৩
মাইজদী কোর্টরাত ০৮:০৪
নোয়াখালী জংশনরাত ০৮:২০

নোয়াখালী টু ঢাকা উপকূল এক্সপ্রেস সময়সূচী (৭১১)

স্টেশনের নামসময়সূচী
নোয়াখালী জংশনসকাল ০৬:০০
মাইজদী কোর্টসকাল ০৬:০৭
চৌমুহনীসকাল ০৬:২৩
বজরাসকাল ০৬:৩৪
সোনাইমুড়িসকাল ০৬:৪৫
নাথেরপেটুয়াসকাল ০৭:০০
লাকসামসকাল ০৭:২৫
কুমিল্লাসকাল ০৭:৫২
কসবাসকাল ০৮:২৪
আখাউড়াসকাল ০৮:৫০
ব্রাহ্মণবাড়িয়াসকাল ০৯:১১
আশুগঞ্জসকাল ০৯:৩০
নরসিংদীসকাল ১০:০৫
বিমান বন্দরসকাল ১০:৪৭
ঢাকা কমলাপুরসকাল ১১:০০

মনে রাখুন: স্টেশনভিত্তিক এই সময়সূচী স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে প্রযোজ্য। কুয়াশা, লাইনে সংস্কার কাজ বা অন্য কোনো কারণে সময়সূচীতে সামান্য হেরফের হতে পারে, বিশেষ করে শীতকালে। তাই স্টেশনে পৌঁছানোর আগে অনলাইনে “রানিং স্ট্যাটাস” একবার চেক করে নেওয়া ভালো অভ্যাস।

উপকূল এক্সপ্রেসের রুট ও স্টপেজ স্টেশন সম্পর্কে যা জানা দরকার

উপকূল এক্সপ্রেস মূলত ঢাকা, গাজীপুর, নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা এবং নোয়াখালী — এই কয়েকটি জেলাকে সংযুক্ত করে। এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় আন্তঃনগর মিটারগেজ ট্রেন হিসেবে পরিচিত, যা এখনো মিটারগেজ লাইনেই চলাচল করছে। মোট ১৫টি স্টেশনে থামে ট্রেনটি, যার মধ্যে আখাউড়া জংশন এবং লাকসাম জংশন গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল — এই দুই স্টেশন থেকে চাইলে অন্য রুটের ট্রেনেও সংযোগ পাওয়া যায়।

যারা কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া বা আখাউড়া থেকে যাত্রা করতে চান, তাদের জন্য এই ট্রেনটি বিশেষভাবে সুবিধাজনক, কারণ বাসে এই রুটে যানজটের কারণে সময় বেশি লাগে, কিন্তু ট্রেনে সময়টা প্রায় নির্দিষ্ট থাকে।

উপকূল এক্সপ্রেস অনলাইন টিকিট কাটার নিয়ম

উপকূল এক্সপ্রেসের টিকিট এখন পুরোপুরি অনলাইনে কাটা যায়, স্টেশনে লাইনে দাঁড়ানোর ঝামেলা ছাড়াই। নিচে ধাপে ধাপে প্রক্রিয়াটি দেওয়া হলো:

  1. প্রথমে বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল টিকিটিং সাইট eticket.railway.gov.bd-এ প্রবেশ করুন।
  2. নতুন ব্যবহারকারী হলে NID বা জন্মনিবন্ধন সনদ দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে নিন। আগে থেকে অ্যাকাউন্ট থাকলে মোবাইল নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন।
  3. যাত্রার স্থান হিসেবে “ঢাকা” এবং গন্তব্য হিসেবে “নোয়াখালী” (বা উল্টোটা) সিলেক্ট করুন।
  4. যাত্রার তারিখ বেছে নিন এবং “Find Ticket” বাটনে ক্লিক করুন।
  5. পছন্দমতো আসন শ্রেণি (শোভন চেয়ার / এসি স্নিগ্ধা) সিলেক্ট করে সিট বাছাই করুন।
  6. বিকাশ, নগদ, রকেট বা কার্ডের মাধ্যমে পেমেন্ট সম্পন্ন করুন।
  7. পেমেন্ট সফল হলে টিকিট আপনার অ্যাকাউন্টে এবং ইমেইলে চলে আসবে, যা প্রিন্ট করে বা মোবাইলে দেখিয়ে ভ্রমণ করা যায়।

এখানে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখতে হবে — বাংলাদেশ রেলওয়ের নিয়ম অনুযায়ী যাত্রার তারিখের ৫ দিন আগে সকাল ৮টা থেকে টিকিট বিক্রি শুরু হয়। ঈদ বা পূজার মতো উৎসবের সময় টিকিটের চাহিদা অনেক বেশি থাকে বলে সার্ভারে চাপ পড়ে, তাই সেসময় ৮টা বাজার আগেই সাইটে লগইন করে প্রস্তুত থাকা ভালো।

উপকূল এক্সপ্রেস টিকেট মূল্য ও ভাড়ার তালিকা

উপকূল এক্সপ্রেসের ভাড়া তুলনামূলক সাশ্রয়ী হওয়ায় এটি সাধারণ যাত্রী, শিক্ষার্থী এবং চাকরিজীবীদের কাছে বিশেষভাবে জনপ্রিয়। ঢাকা থেকে নোয়াখালী পর্যন্ত মূল রুটের ভাড়া নিচে দেওয়া হলো:

আসন শ্রেণিভাড়া (টাকা)ভ্যাটসহ (২০ টাকা অনলাইন চার্জ যোগে আনুমানিক)
শোভন চেয়ার৩১৫৩৩৫
এসি স্নিগ্ধা৫৯৮৬১৮

মধ্যবর্তী স্টেশন যেমন কুমিল্লা, আখাউড়া বা ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে উঠলে ভাড়া দূরত্ব অনুযায়ী কম হবে। সঠিক ভাড়া জানতে টিকিট কাটার সময় সিস্টেম নিজে থেকেই স্টেশনভিত্তিক ভাড়া দেখিয়ে দেয়, তাই আলাদাভাবে হিসাব করার প্রয়োজন পড়ে না।

টিকিট কাটার সময় যেসব বিষয় খেয়াল রাখবেন:

  • একজন ব্যবহারকারী একবারে সর্বোচ্চ চারটি টিকিট কাটতে পারেন।
  • টিকিট বাতিল বা রিফান্ডের নির্দিষ্ট নিয়ম আছে, যাত্রার সময়ের কতক্ষণ আগে বাতিল করছেন তার ওপর ভিত্তি করে কর্তনের পরিমাণ নির্ধারিত হয়।
  • শিশুদের (৫ বছরের নিচে) জন্য সাধারণত আলাদা টিকিটের প্রয়োজন হয় না, তবে আসন প্রয়োজন হলে সাধারণ ভাড়াই প্রযোজ্য হতে পারে।

উপকূল এক্সপ্রেসে ভ্রমণের সুবিধা ও অভিজ্ঞতা

যারা নিয়মিত এই রুটে যাতায়াত করেন, তাদের কাছে উপকূল এক্সপ্রেসের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো নির্দিষ্ট সময়ে যাত্রা এবং তুলনামূলক আরামদায়ক বসার ব্যবস্থা। বাসের তুলনায় ট্রেনে যানজটের ঝক্কি নেই, আর দীর্ঘ পথে হাত-পা ছড়িয়ে বসার সুযোগও থাকে। ট্রেনে খাবারের ট্রলি সার্ভিস থাকে, তবে দীর্ঘ যাত্রায় নিজের সাথে হালকা খাবার-পানি রাখা সবসময়ই ভালো অভ্যাস।

এসি স্নিগ্ধা কোচে চেয়ারের মধ্যে জায়গা তুলনামূলক বেশি, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ এবং জানালার পর্দা থাকে, যা দীর্ঘ যাত্রায় আরাম বাড়ায়। অন্যদিকে শোভন চেয়ার সাশ্রয়ী হলেও গরমের দিনে কিছুটা অস্বস্তি হতে পারে, বিশেষ করে দুপুর বা বিকেলের যাত্রায়।

গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর (FAQ)

প্রশ্ন: উপকূল এক্সপ্রেস সপ্তাহে কয়দিন বন্ধ থাকে?
উত্তর: সপ্তাহে দুই দিন এই ট্রেনের কোনো না কোনো দিক বন্ধ থাকে — ৭১১ নং ট্রেন (নোয়াখালী → ঢাকা) বৃহস্পতিবার এবং ৭১২ নং ট্রেন (ঢাকা → নোয়াখালী) বুধবার বন্ধ থাকে।

প্রশ্ন: উপকূল এক্সপ্রেসের বর্তমান সময়সূচী কী?
উত্তর: নোয়াখালী থেকে ঢাকাগামী ট্রেন সকাল ৬টায় ছেড়ে ঢাকায় পৌঁছায় সকাল ১১টায়, আর ঢাকা থেকে নোয়াখালীগামী ট্রেন বিকাল ৩টা ১০ মিনিটে ছেড়ে নোয়াখালী পৌঁছায় রাত ৮টা ২০ মিনিটে।

প্রশ্ন: উপকূল এক্সপ্রেস এখন কোথায় আছে, কীভাবে জানব?
উত্তর: ট্রেনের লাইভ অবস্থান জানতে মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে টাইপ করুন TR তারপর স্পেস দিয়ে ট্রেনের নম্বর (যেমন TR 711) লিখে পাঠিয়ে দিন ১৬৩১৮ নম্বরে। এছাড়া বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইট বা বিভিন্ন ট্রেন ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মেও রানিং স্ট্যাটাস দেখা যায়।

প্রশ্ন: উপকূল এক্সপ্রেসে কোন কোন শ্রেণির আসন আছে?
উত্তর: এই ট্রেনে মূলত দুই শ্রেণির আসন পাওয়া যায় — শোভন চেয়ার এবং এসি স্নিগ্ধা। ভাড়া যথাক্রমে ৩১৫ টাকা এবং ৫৯৮ টাকা (অনলাইন চার্জ ছাড়া)।

প্রশ্ন: উপকূল এক্সপ্রেস কবে চালু হয়েছিল?
উত্তর: ট্রেনটি ১৯৮৬ সালের ১৭ই জানুয়ারি প্রথম চালু হয়েছিল এবং তখন থেকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় আন্তঃনগর মিটারগেজ ট্রেন হিসেবে সেবা দিয়ে আসছে।

প্রশ্ন: টিকিট না পেলে কী করব?
উত্তর: নির্দিষ্ট দিনের টিকিট শেষ হয়ে গেলে ওয়েবসাইটে “ওয়েটিং লিস্ট” অপশন দেখা যায় কিনা যাচাই করুন, অথবা একদিন আগে বা পরের তারিখে যাত্রার পরিকল্পনা করুন। উৎসবের মৌসুমে টিকিট দ্রুত শেষ হয়ে যায় বলে আগে থেকেই বুকিং করে রাখা ভালো।

শেষ কথা

উপকূল এক্সপ্রেস শুধু একটা যাতায়াতের মাধ্যম নয়, নোয়াখালী আর ঢাকার মধ্যে সম্পর্কের একটা সেতুও বটে। সময়সূচী আর সাপ্তাহিক ছুটির দিন মাঝেমধ্যে পরিবর্তন হলেও, একটু আগে থেকে খোঁজ রাখলে ভ্রমণ পরিকল্পনা করা কঠিন কিছু নয়। যাত্রার আগে অনলাইনে সিট এবং সময়সূচী একবার যাচাই করে নিলে অযথা স্টেশনে গিয়ে ভোগান্তির মুখে পড়তে হবে না। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনার উপকূল এক্সপ্রেস ভ্রমণকে আরও সহজ ও ঝামেলামুক্ত করতে সাহায্য করবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top