উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার মধ্যে যাতায়াতের জন্য দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃনগর ট্রেন। বিশেষ করে সান্তাহার, বগুড়া, গাইবান্ধা, রংপুর, পার্বতীপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় অঞ্চলের যাত্রীদের জন্য ট্রেনটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
আপনি যদি দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী, ট্রেন নম্বর, রুট, স্টপেজ, সাপ্তাহিক বন্ধের দিন, টিকিটের ভাড়া কিংবা অনলাইনে টিকিট কাটার নিয়ম জানতে চান, তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য।
দোলনচাঁপা এক্সপ্রেসের ট্রেন নম্বর ৭৬৭ ও ৭৬৮। ৭৬৭ নম্বর ট্রেন সান্তাহার থেকে পঞ্চগড়ের দিকে চলাচল করে এবং ৭৬৮ নম্বর ট্রেন পঞ্চগড় থেকে সান্তাহারের দিকে চলাচল করে।
দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬
দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী জানার আগে ট্রেনের নম্বর ও যাত্রার দিকটি জানা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ৭৬৭ ও ৭৬৮ নম্বর ট্রেন বিপরীত দিকে চলাচল করে।
| ট্রেন নম্বর | যাত্রাপথ | ছাড়ার সময় | গন্তব্যে পৌঁছানোর সময় | বন্ধের দিন |
|---|---|---|---|---|
| ৭৬৭ | সান্তাহার → পঞ্চগড় | সকাল ১১:০০ | রাত ৮:৪০ | নেই |
| ৭৬৮ | পঞ্চগড় → সান্তাহার | সকাল ৬:০০ | বিকেল ৪:১৫ | নেই |
অর্থাৎ সান্তাহার থেকে পঞ্চগড় যেতে চাইলে ৭৬৭ নম্বর দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস এবং পঞ্চগড় থেকে সান্তাহার যেতে চাইলে ৭৬৮ নম্বর ট্রেন ব্যবহার করতে হবে।
দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস এক নজরে
- ট্রেনের নাম: দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস
- ট্রেন নম্বর: ৭৬৭/৭৬৮
- ট্রেনের ধরন: আন্তঃনগর
- রুট: সান্তাহার ↔ পঞ্চগড়
- ৭৬৭ নম্বর ছাড়ে: সকাল ১১:০০টা
- ৭৬৭ নম্বর পঞ্চগড়ে পৌঁছে: রাত ৮:৪০টা
- ৭৬৮ নম্বর ছাড়ে: সকাল ৬:০০টা
- ৭৬৮ নম্বর সান্তাহারে পৌঁছে: বিকেল ৪:১৫টা
- সাপ্তাহিক বন্ধ: নেই
দোলনচাঁপা এক্সপ্রেসের রুট ও স্টপেজ
দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস উত্তরবঙ্গের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনের মধ্য দিয়ে চলাচল করে। ফলে শুধু সান্তাহার ও পঞ্চগড়ের যাত্রী নয়, মাঝপথের বিভিন্ন জেলার যাত্রীরাও এই ট্রেন ব্যবহার করতে পারেন।
পঞ্চগড় থেকে সান্তাহারমুখী ৭৬৮ নম্বর ট্রেনের গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলো হলো পঞ্চগড়, রুহিয়া, ঠাকুরগাঁও রোড, পীরগঞ্জ, সেতাবগঞ্জ, দিনাজপুর, চিরিরবন্দর, পার্বতীপুর, বদরগঞ্জ, রংপুর, কাউনিয়া, পীরগাছা, বামনডাঙ্গা, গাইবান্ধা, বোনারপাড়া, মহিমাগঞ্জ, সোনাতলা, বগুড়া, তালোড়া ও সান্তাহার।
পঞ্চগড় থেকে সান্তাহার ৭৬৮ নম্বর ট্রেনের সময়সূচী
| স্টেশন | আগমন | ছাড়ার সময় |
|---|---|---|
| পঞ্চগড় | — | ০৬:০০ |
| নয়নীবুরুজ | ০৬:১২ | — |
| কিসমত | ০৬:২৩ | — |
| রুহিয়া | ০৬:৩৫ | ০৬:৩৫ |
| ঠাকুরগাঁও রোড | ০৬:৫৪ | ০৬:৫৪ |
| ভোমরাদহ | ০৭:১৫ | ০৭:১৫ |
| পীরগঞ্জ | ০৭:২৭ | ০৭:২৭ |
| সেতাবগঞ্জ | ০৭:৪৬ | ০৭:৪৬ |
| দিনাজপুর | ০৮:৩১ | ০৮:৩১ |
| চিরিরবন্দর | ০৮:৫২ | ০৮:৫২ |
| পার্বতীপুর | ০৯:৪০ | ০৯:৪০ |
| খোলাহাটি | ০৯:৫৪ | ০৯:৫৪ |
| বদরগঞ্জ | ১০:০৮ | ১০:০৮ |
| রংপুর | ১০:৪০ | ১০:৪০ |
| কাউনিয়া | ১১:২৫ | ১১:২৫ |
| পীরগাছা | ১১:৪৫ | ১১:৪৫ |
| বামনডাঙ্গা | ১২:০৭ | ১২:০৭ |
| গাইবান্ধা | ১২:৫৭ | ১২:৫৭ |
| বাদিয়াখালী রোড | ১৩:৩৩ | ১৩:৩৩ |
| বোনারপাড়া | ১৩:৪৮ | ১৩:৪৮ |
| মহিমাগঞ্জ | ১৩:৫৯ | ১৩:৫৯ |
| সোনাতলা | ১৪:১২ | ১৪:১২ |
| বগুড়া | ১৫:০৫ | ১৫:০৫ |
| তালোড়া | ১৫:৪৫ | ১৫:৪৫ |
| সান্তাহার | ১৬:১৫ | — |
উপরের সময়গুলো নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী দেওয়া হয়েছে। বাস্তবে ট্রেন চলাচলের সময় রেলওয়ের পরিচালনাগত কারণে কিছুটা আগে-পরে হতে পারে।
সান্তাহার থেকে পঞ্চগড় দোলনচাঁপা এক্সপ্রেসের সময়সূচী
সান্তাহার থেকে পঞ্চগড় যাওয়ার জন্য ৭৬৭ নম্বর দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস ব্যবহার করতে পারেন। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ট্রেনটি সান্তাহার স্টেশন থেকে সকাল ১১:০০টায় যাত্রা শুরু করে এবং পঞ্চগড়ে রাত ৮:৪০টায় পৌঁছানোর কথা।
সান্তাহার থেকে পঞ্চগড় পর্যন্ত নির্ধারিত যাত্রা সময় প্রায় ৯ ঘণ্টা ৪০ মিনিট। এই পথে বগুড়া, গাইবান্ধা, রংপুর, পার্বতীপুর, দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁওসহ উত্তরবঙ্গের গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল অতিক্রম করে ট্রেনটি পঞ্চগড়ে যায়।
পঞ্চগড় থেকে সান্তাহার দোলনচাঁপা ট্রেনের সময়সূচী
পঞ্চগড় থেকে সান্তাহার যাওয়ার জন্য ৭৬৮ নম্বর দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস ব্যবহার করা যায়।
ট্রেনটি পঞ্চগড় স্টেশন থেকে সকাল ৬:০০টায় ছাড়ে এবং নির্ধারিত সময় অনুযায়ী বিকেল ৪:১৫টায় সান্তাহার পৌঁছায়।
এই যাত্রায় নির্ধারিত সময় লাগে প্রায় ১০ ঘণ্টা ১৫ মিনিট। পঞ্চগড় থেকে যাত্রা করে ট্রেনটি ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, পার্বতীপুর, রংপুর, গাইবান্ধা ও বগুড়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে বিরতি দিয়ে সান্তাহারের দিকে যায়।
দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধের দিন
অনেক যাত্রী দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস ট্রেনের বন্ধের দিন জানতে চান। বর্তমান প্রকাশিত সময়সূচী অনুযায়ী ৭৬৭ ও ৭৬৮ নম্বর দোলনচাঁপা এক্সপ্রেসের কোনো সাপ্তাহিক বন্ধের দিন নেই।
অর্থাৎ সাধারণ সময়সূচী অনুযায়ী ট্রেনটি প্রতিদিন চলাচল করে।
তবে রেলওয়ের বিশেষ ঘোষণা, কারিগরি সমস্যা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা অন্য কোনো পরিচালনাগত কারণে সাময়িক পরিবর্তন হতে পারে। তাই গুরুত্বপূর্ণ যাত্রার আগে সর্বশেষ তথ্য যাচাই করা ভালো।
দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস ট্রেনের ভাড়া কত?
দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস ট্রেনের ভাড়া যাত্রার স্টেশন, গন্তব্য এবং আসনের শ্রেণির ওপর নির্ভর করে। পূর্ণ রুটের প্রকাশিত ভাড়া অনুযায়ী বিভিন্ন শ্রেণির ভাড়া আলাদা।
| আসনের শ্রেণি | পূর্ণ রুটের প্রকাশিত ভাড়া |
|---|---|
| শোভন | ৩৪০ টাকা |
| শোভন চেয়ার | ৪০৫ টাকা |
| প্রথম সিট | ৬২১ টাকা |
মনে রাখতে হবে, মাঝপথের কোনো স্টেশন থেকে উঠলে পূর্ণ রুটের ভাড়া প্রযোজ্য হবে না। আপনার যাত্রার শুরু ও শেষ স্টেশন অনুযায়ী টিকিটের ভাড়া নির্ধারিত হবে।
ভাড়া সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে। তাই টিকিট কাটার সময় বাংলাদেশ রেলওয়ের সর্বশেষ ভাড়া দেখে নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।
দোলনচাঁপা এক্সপ্রেসে কোন আসন নেওয়া ভালো?
দোলনচাঁপা এক্সপ্রেসে দীর্ঘ সময় ভ্রমণ করতে হলে আসনের ধরন নির্বাচন করা গুরুত্বপূর্ণ। আপনার বাজেট ও আরামের প্রয়োজন অনুযায়ী আসন বেছে নিতে পারেন।
শোভন
কম খরচে ভ্রমণ করতে চাইলে শোভন শ্রেণি বিবেচনা করতে পারেন। বাজেট কম হলে এটি একটি সাশ্রয়ী বিকল্প।
শোভন চেয়ার
দীর্ঘ যাত্রায় তুলনামূলক আরামদায়কভাবে ভ্রমণ করতে চাইলে শোভন চেয়ার ভালো বিকল্প হতে পারে। বাজেট ও আরামের মধ্যে ভারসাম্য রাখতে চাইলে এই শ্রেণি অনেক যাত্রীর পছন্দ।
প্রথম সিট
আরও আরামদায়ক আসন চাইলে প্রথম সিট বেছে নেওয়া যেতে পারে। তবে টিকিট কাটার সময় নির্দিষ্ট ট্রেন ও তারিখে আসনটি পাওয়া যাচ্ছে কি না অবশ্যই যাচাই করতে হবে।
দোলনচাঁপা এক্সপ্রেসের টিকিট অনলাইনে কীভাবে কাটবেন?
বর্তমানে ট্রেনের টিকিট অনলাইনে কেনা যায়। দোলনচাঁপা এক্সপ্রেসের টিকিট কাটার সময় যাত্রার তারিখ, স্টেশন, গন্তব্য ও আসনের শ্রেণি সঠিকভাবে নির্বাচন করতে হবে।
অনলাইনে টিকিট কাটার সাধারণ ধাপগুলো হলো:
১. বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ই-টিকিটিং প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করুন।
২. আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন অথবা প্রয়োজন হলে নতুন অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন।
৩. যাত্রার তারিখ নির্বাচন করুন।
৪. যাত্রার স্টেশন ও গন্তব্য নির্বাচন করুন।
৫. দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস নির্বাচন করুন।
৬. আপনার পছন্দের আসনের শ্রেণি নির্বাচন করুন।
৭. প্রয়োজনীয় যাত্রীর তথ্য প্রদান করুন।
৮. নির্ধারিত পেমেন্ট সম্পন্ন করুন।
৯. টিকিটের তথ্য সংরক্ষণ করুন।
টিকিট কাটার সময় ট্রেনের নামের পাশাপাশি ট্রেন নম্বরও মিলিয়ে নেওয়া ভালো। এতে ভুল ট্রেন বা ভুল দিকের টিকিট কাটার সম্ভাবনা কমে।
দোলনচাঁপা এক্সপ্রেসে যাত্রার আগে যেসব বিষয় মনে রাখবেন
দীর্ঘ দূরত্বের ট্রেন ভ্রমণের ক্ষেত্রে সামান্য প্রস্তুতিও আপনার যাত্রাকে অনেক সহজ করতে পারে।
স্টেশনে আগে পৌঁছান
ট্রেন ছাড়ার অন্তত ২০ থেকে ৩০ মিনিট আগে স্টেশনে পৌঁছানোর চেষ্টা করুন। অপরিচিত স্টেশন হলে আরও কিছুটা সময় হাতে রাখা ভালো।
ট্রেন নম্বর যাচাই করুন
৭৬৭ ও ৭৬৮ নম্বর ট্রেনের যাত্রার দিক আলাদা। তাই টিকিট কাটার সময় ট্রেন নম্বর অবশ্যই যাচাই করুন।
টিকিটের তথ্য মিলিয়ে নিন
টিকিটে আপনার নাম, যাত্রার তারিখ, ওঠার স্টেশন, গন্তব্য এবং আসনের তথ্য সঠিক আছে কি না দেখে নিন।
প্রয়োজনীয় জিনিস সঙ্গে রাখুন
দীর্ঘ যাত্রার জন্য পানি, প্রয়োজনীয় ওষুধ, মোবাইল চার্জার এবং হালকা খাবার সঙ্গে রাখা সুবিধাজনক।
লাগেজের দিকে নজর রাখুন
ভ্রমণের সময় মূল্যবান জিনিসপত্র নিজের কাছে নিরাপদে রাখুন এবং লাগেজ অযত্নে ফেলে রাখবেন না।
নির্ধারিত সময়ের ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করবেন না
সময়সূচিতে নির্ধারিত সময় থাকলেও রেল চলাচলে বিভিন্ন কারণে বিলম্ব হতে পারে। তাই গুরুত্বপূর্ণ কোনো সংযোগ বা অনুষ্ঠানের আগে পর্যাপ্ত সময় হাতে রাখা ভালো।
দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস কেন গুরুত্বপূর্ণ?
দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস উত্তরবঙ্গের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি অঞ্চলকে রেলপথে সংযুক্ত করেছে। সান্তাহার থেকে পঞ্চগড় পর্যন্ত দীর্ঘ রুটে চলাচলের কারণে বিভিন্ন জেলার যাত্রীদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন ব্যবস্থা।
বগুড়া, গাইবান্ধা, রংপুর, পার্বতীপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় অঞ্চলের যাত্রীরা বিভিন্ন প্রয়োজনে এই ট্রেন ব্যবহার করতে পারেন।
বিশেষ করে দীর্ঘ দূরত্বে যাতায়াতের ক্ষেত্রে ট্রেন অনেকের কাছে বাসের তুলনায় আরামদায়ক বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হয়।
দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস বনাম বাস—কোনটি ভালো?
ট্রেন নাকি বাস—কোনটি ভালো, সেটি মূলত যাত্রীর প্রয়োজনের ওপর নির্ভর করে।
দোলনচাঁপা এক্সপ্রেসের সুবিধার মধ্যে রয়েছে দীর্ঘ রুটে যাত্রা, নির্দিষ্ট স্টেশনে বিরতি এবং ট্রেনে বসে দীর্ঘ সময় ভ্রমণের সুযোগ।
অন্যদিকে বাস অনেক সময় সরাসরি গন্তব্যের কাছাকাছি পৌঁছে দিতে পারে এবং কিছু রুটে তুলনামূলক বেশি সার্ভিস পাওয়া যায়।
তাই আপনার গন্তব্য, বাজেট, সময় এবং আরামের প্রয়োজন বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন
দোলনচাঁপা এক্সপ্রেসের ট্রেন নম্বর কত?
দোলনচাঁপা এক্সপ্রেসের ট্রেন নম্বর ৭৬৭ ও ৭৬৮। ৭৬৭ নম্বর ট্রেন সান্তাহার থেকে পঞ্চগড়ের দিকে এবং ৭৬৮ নম্বর ট্রেন পঞ্চগড় থেকে সান্তাহারের দিকে চলাচল করে।
দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস কি প্রতিদিন চলে?
বর্তমান প্রকাশিত সময়সূচী অনুযায়ী দোলনচাঁপা এক্সপ্রেসের কোনো সাপ্তাহিক বন্ধের দিন নেই। অর্থাৎ সাধারণ সময়সূচী অনুযায়ী ট্রেনটি প্রতিদিন চলাচল করে।
সান্তাহার থেকে দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস কখন ছাড়ে?
৭৬৭ নম্বর দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস সান্তাহার থেকে সকাল ১১:০০টায় ছাড়ে।
পঞ্চগড় থেকে দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস কখন ছাড়ে?
৭৬৮ নম্বর দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস পঞ্চগড় থেকে সকাল ৬:০০টায় ছাড়ে।
পঞ্চগড় থেকে সান্তাহার যেতে কত সময় লাগে?
নির্ধারিত সময়সূচী অনুযায়ী পঞ্চগড় থেকে সকাল ৬:০০টায় যাত্রা শুরু করে বিকেল ৪:১৫টায় সান্তাহার পৌঁছায়। অর্থাৎ নির্ধারিত যাত্রা সময় প্রায় ১০ ঘণ্টা ১৫ মিনিট।
সান্তাহার থেকে পঞ্চগড় যেতে কত সময় লাগে?
সান্তাহার থেকে সকাল ১১:০০টায় যাত্রা করে রাত ৮:৪০টায় পঞ্চগড় পৌঁছানোর নির্ধারিত সময় রয়েছে। মোট সময় প্রায় ৯ ঘণ্টা ৪০ মিনিট।
দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস কি বগুড়ায় থামে?
হ্যাঁ। বগুড়া দোলনচাঁপা এক্সপ্রেসের গুরুত্বপূর্ণ স্টপেজগুলোর একটি।
দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস কি রংপুরে থামে?
হ্যাঁ। রংপুরও দোলনচাঁপা এক্সপ্রেসের গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলোর মধ্যে রয়েছে।
দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস কি দিনাজপুরে থামে?
হ্যাঁ। দিনাজপুর স্টেশনেও দোলনচাঁপা এক্সপ্রেসের যাত্রাবিরতি রয়েছে।
দোলনচাঁপা এক্সপ্রেসের ভাড়া কত?
পূর্ণ রুটের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী শোভন ৩৪০ টাকা, শোভন চেয়ার ৪০৫ টাকা এবং প্রথম সিট ৬২১ টাকা। তবে আপনার ওঠার ও নামার স্টেশন অনুযায়ী প্রকৃত ভাড়া ভিন্ন হবে।
শেষ কথা
উত্তরবঙ্গের দীর্ঘ রেলপথে নিয়মিত যাতায়াতকারীদের জন্য দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃনগর ট্রেন। দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী জানার পাশাপাশি ট্রেন নম্বর, রুট, স্টপেজ, ভাড়া এবং বন্ধের দিন জানা থাকলে ভ্রমণের পরিকল্পনা করা অনেক সহজ হয়।
বর্তমান প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী ৭৬৭ নম্বর ট্রেন সান্তাহার থেকে সকাল ১১:০০টায় পঞ্চগড়ের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায় এবং ৭৬৮ নম্বর ট্রেন পঞ্চগড় থেকে সকাল ৬:০০টায় সান্তাহারের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। বর্তমান তালিকা অনুযায়ী ট্রেনটির সাপ্তাহিক বন্ধের দিন নেই।
তবে রেলওয়ের সময়সূচী, ভাড়া ও পরিচালনাগত তথ্য পরিবর্তিত হতে পারে। তাই যাত্রার আগে বাংলাদেশ রেলওয়ের সর্বশেষ তথ্য বা অফিসিয়াল টিকিটিং সিস্টেমে সময়, ভাড়া ও আসনের তথ্য যাচাই করে নেওয়াই সবচেয়ে ভালো।
তথ্য যাচাই: বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রকাশিত তথ্য ও সাম্প্রতিক ট্রেন সময়সূচির ভিত্তিতে এই আর্টিকেলটি প্রস্তুত করা হয়েছে।


