দীর্ঘ প্রায় এক যুগ বন্ধ থাকার পর আবারও ফিরে এসেছে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা — জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (DSHE) থেকে ২০২৬ সালের এই পরীক্ষার সম্পূর্ণ সময়সূচি ইতিমধ্যে প্রকাশ করা হয়েছে। এই আর্টিকেলে থাকছে পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ রুটিন, বিষয় কোড, পরীক্ষা কেন্দ্রের নিয়মাবলী, বৃত্তির ধরন, টাকার পরিমাণ এবং প্রস্তুতির কার্যকর কৌশল — সবকিছু একসাথে।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৬ এর সময়সূচি এক নজরে
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পত্র নং বৃত্তি/২০২৬/৬০ অনুযায়ী প্রকাশিত রুটিন নিচে দেওয়া হলো। প্রতিদিন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত।
লক্ষ্যণীয় বিষয় হলো, ১৫ ডিসেম্বর একই দিনে দুটি বিষয়ের পরীক্ষা হবে — বিজ্ঞান এবং বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়। এই দুই বিষয় মিলিয়ে মোট পরীক্ষার সময় হবে ৩ ঘণ্টা — বিজ্ঞানের জন্য দেড় ঘণ্টা এবং বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়ের জন্য দেড় ঘণ্টা।
প্রাথমিকভাবে শিক্ষাপঞ্জিতে যে সময়সূচি নির্ধারিত ছিল, তা কিছুটা এগিয়ে আনা হয়েছে। ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে ৬ আগস্ট ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত একটি সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, এবং পরবর্তীতে ২৩ আগস্ট ২০২৬ তারিখে চূড়ান্ত রুটিন সবার জন্য প্রকাশ করা হয়। সারা দেশে একযোগে একই রুটিনে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
(দ্রষ্টব্য: বিশেষ প্রয়োজনে কর্তৃপক্ষ এই সময়সূচি পরিবর্তন করতে পারে। তাই পরীক্ষার আগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে সবশেষ তথ্য যাচাই করে নেওয়া ভালো।)
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা আসলে কী, কারা অংশ নিতে পারবে

| বিষয় | বিষয় কোড | তারিখ ও দিন |
|---|---|---|
| বাংলা | ১০১ | ৮ ডিসেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার |
| ইংরেজি | ১০৭ | ১০ ডিসেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার |
| গণিত | ১০৯ | ১৩ ডিসেম্বর ২০২৬, রবিবার |
| বিজ্ঞান | ১২৭ | ১৫ ডিসেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার |
| বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় | ১৫০ | ১৫ ডিসেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার |
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা মূলত অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য অনুষ্ঠিত একটি জাতীয় পর্যায়ের বৃত্তি পরীক্ষা, যা পরিচালনা করে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর ও দেশের শিক্ষা বোর্ডগুলো। স্কুল, মাদ্রাসা (এবতেদায়ি/দাখিল স্তর মিলিয়ে) ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নিতে পারে।
এই পরীক্ষাটি বহু বছর বন্ধ ছিল। শিক্ষার্থীদের মেধা যাচাই ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল কিন্তু মেধাবী শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য উৎসাহ দেওয়ার লক্ষ্যে সরকার সম্প্রতি এটি পুনরায় চালু করেছে। ২০২৫ সালে দীর্ঘ বিরতির পর প্রথমবার এই পরীক্ষা আবার অনুষ্ঠিত হয়, এবং তার পরের বছর অর্থাৎ ২০২৬ সালের রুটিনও একই সময়ে ঘোষণা করা হয়েছিল। এখন সেই ২০২৬ সালের পরীক্ষার চূড়ান্ত সময়সূচি প্রকাশিত হলো।
পরীক্ষার নম্বর বণ্টন ও কাঠামো
সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা মোট ৪০০ নম্বরের উপর অনুষ্ঠিত হয়, যা পাঁচটি বিষয়ে বিভক্ত — বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান এবং বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়। প্রতিটি বিষয়ের প্রশ্নপত্রে নির্ধারিত সময় অনুযায়ীই পরীক্ষা নেওয়া হয়, যা প্রশ্নপত্রেই উল্লেখ থাকে।
বিষয়ভিত্তিক নির্ভুল নম্বর বণ্টন (কোন বিষয়ে ঠিক কত নম্বর) সংক্রান্ত বিস্তারিত সিলেবাস ও মানবণ্টন প্রকাশ করে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ তাদের নিজস্ব নীতিমালায়। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পরামর্শ থাকবে, চূড়ান্ত প্রস্তুতির আগে shed.gov.bd থেকে সর্বশেষ জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা নীতিমালাটি ডাউনলোড করে নেওয়া, কারণ মাঝেমধ্যে এতে সংশোধনী আসে।
পরীক্ষা কেন্দ্রে মেনে চলতে হবে যেসব নির্দেশনা
DSHE-র প্রকাশিত নোটিশে পরীক্ষার্থীদের জন্য ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি নির্দেশনা ভালোভাবে বুঝে নেওয়া জরুরি, কারণ এগুলো না মানলে পরীক্ষার্থীকে সমস্যায় পড়তে হতে পারে।
১. সময়মতো আসন গ্রহণ: পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই নিজ নিজ পরীক্ষা কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে। দেরি করে পৌঁছালে ঝামেলায় পড়ার সম্ভাবনা থাকে, তাই বাড়ি থেকে যথেষ্ট সময় হাতে নিয়ে বের হওয়া উচিত।
২. প্রশ্নপত্রের সময় মেনে চলা: প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত সময় অনুযায়ীই পরীক্ষা নেওয়া হবে। বিজ্ঞান বিষয়ের জন্য দেড় ঘণ্টা এবং বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বিষয়ের জন্য দেড় ঘণ্টা — এই দুই বিষয় মিলিয়ে মোট ৩ ঘণ্টার পরীক্ষা একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে।
৩. প্রবেশপত্র সংগ্রহ: পরীক্ষার্থীদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছ থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে হবে পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে সাত দিন আগে। শেষ মুহূর্তের ভোগান্তি এড়াতে এই কাজটি আগেভাগেই সেরে ফেলা ভালো।
৪. OMR ফরম পূরণে সতর্কতা: উত্তরপত্রের OMR ফরমে রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও বিষয় কোড যথাযথভাবে লিখে বৃত্ত ভরাট করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না — এই বিষয়টি বিশেষভাবে মাথায় রাখা দরকার, কারণ ভাঁজ করা উত্তরপত্র OMR মেশিনে সঠিকভাবে স্ক্যান নাও হতে পারে।
৫. ক্যালকুলেটর ব্যবহার: বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে। তবে প্রোগ্রামেবল বা অ্যাডভান্স ফাংশনযুক্ত ক্যালকুলেটর অনুমোদিত নয়।
৬. মোবাইল ফোন ও ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিষিদ্ধ: কেন্দ্রসচিব ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি বা পরীক্ষার্থী পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোনসহ কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস সঙ্গে আনতে পারবেন না।
বৃত্তির ধরন ও টাকার পরিমাণ
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের দুটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয় — ট্যালেন্টপুল এবং সাধারণ গ্রেড। বোর্ডভিত্তিক ও উপজেলাভিত্তিক ভারসাম্য বজায় রেখে এই দুই ক্যাটাগরিতে কোটা নির্ধারণ করা হয়।
২০২৫ সালের পরীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী (যা ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হয়েছিল), বৃত্তির হার ছিল:
- ট্যালেন্টপুল বৃত্তি: মাসিক ৪৫০ টাকা
- সাধারণ বৃত্তি: মাসিক ৩০০ টাকা
এই পরিমাণ ২০২৫ সালের ফলাফলের ভিত্তিতে নিশ্চিত করা তথ্য। ২০২৬ সালের পরীক্ষার ফলাফলের সময় এই হার অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনাই বেশি, তবে এটি একটি অনুমান — চূড়ান্ত ঘোষণার সময় সরকারি নোটিশ থেকে যাচাই করে নেওয়া উচিত। প্রসঙ্গত, ভবিষ্যতে এই বৃত্তির অর্থ দ্বিগুণ থেকে চার গুণ পর্যন্ত বাড়ানোর একটি প্রস্তাব সরকারের বিবেচনাধীন আছে বলে গণমাধ্যমে খবর এসেছে, তবে এখনো এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
বৃত্তি পরীক্ষা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে অনুষ্ঠিত হলেও, বৃত্তির অর্থ ছাড় করার দায়িত্বে থাকে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রশাসনিক কাঠামো। সাধারণত ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বা নির্ধারিত সরকারি পদ্ধতিতে এই অর্থ শিক্ষার্থীদের প্রদান করা হয়।
ফলাফল কীভাবে ও কবে দেখা যাবে
২০২৬ সালের ৮ ডিসেম্বর থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এই পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের নির্দিষ্ট তারিখ এখনো (এই আর্টিকেল লেখার সময় পর্যন্ত) সরকারিভাবে ঘোষণা করা হয়নি। তবে আগের বছরের প্যাটার্ন অনুসরণ করলে বলা যায়, পরীক্ষা শেষ হওয়ার প্রায় দুই থেকে আড়াই মাস পর ফলাফল প্রকাশিত হতে পারে — যেমন ২০২৫ সালের পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছিল ২০২৬ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি। এটি নিছক পূর্ববর্তী বছরের ধারা থেকে করা অনুমান, নিশ্চিত তারিখ নয়।
ফলাফল প্রকাশিত হলে সাধারণত দুইভাবে তা দেখা যায়:
- অনলাইন পদ্ধতি: সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে গিয়ে নির্ধারিত অপশনে রোল নম্বর ও পরীক্ষার সাল দিয়ে ফলাফল দেখা যায়।
- এসএমএস পদ্ধতি: মোবাইলে নির্দিষ্ট ফরম্যাটে বোর্ডের নাম, রোল নম্বর ও সাল লিখে নির্ধারিত শর্টকোডে পাঠালে ফিরতি মেসেজে ফলাফল জানা যায়।
ফলাফল প্রকাশের প্রকৃত তারিখ ও পদ্ধতি নিশ্চিত হওয়ার সাথে সাথে বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা DSHE-র নোটিশ বোর্ড থেকে সবশেষ তথ্য যাচাই করে নেওয়াই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায়।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার জন্য কার্যকর প্রস্তুতি কৌশল
মাত্র চার-পাঁচ মাসের মধ্যে অষ্টম শ্রেণির নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি এই পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিতে হলে পরিকল্পিতভাবে এগোনো জরুরি।
- সিলেবাস অনুযায়ী রুটিন তৈরি করুন: পাঁচটি বিষয়ের জন্য আলাদা সময় ভাগ করে একটি দৈনিক পড়ার রুটিন তৈরি করুন, যাতে প্রতিটি বিষয়ে সমান গুরুত্ব দেওয়া যায়।
- পুরনো প্রশ্ন অনুশীলন করুন: আগে যেসব বছরে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা হয়েছিল, সেসব বছরের প্রশ্নপত্র সংগ্রহ করে অনুশীলন করলে প্রশ্নের ধরন সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
- মডেল টেস্ট দিন: নিয়মিত সময় বেঁধে মডেল টেস্ট দেওয়ার অভ্যাস তৈরি করুন, যাতে আসল পরীক্ষার সময়সীমার মধ্যে উত্তর দেওয়ার দক্ষতা তৈরি হয়।
- OMR ফরম পূরণ অনুশীলন করুন: যেহেতু উত্তরপত্র OMR পদ্ধতিতে মূল্যায়ন হয়, তাই বাসায় নমুনা OMR শিটে বৃত্ত ভরাট করার অভ্যাস করে নেওয়া ভালো, যাতে পরীক্ষার দিন ভুল না হয়।
- বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ-বিশ্বপরিচয়ে বাড়তি মনোযোগ দিন: যেহেতু এই দুই বিষয়ের পরীক্ষা একই দিনে হবে এবং টানা তিন ঘণ্টা ধরে চলবে, তাই সময় ব্যবস্থাপনার দিকটি বিশেষভাবে অনুশীলন করা প্রয়োজন।
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
প্রশ্ন: জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৬ কবে শুরু হবে?
উত্তর: ৮ ডিসেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার থেকে পরীক্ষা শুরু হবে এবং ১৫ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত চলবে।
প্রশ্ন: কতটি বিষয়ে পরীক্ষা হবে?
উত্তর: মোট পাঁচটি বিষয়ে পরীক্ষা হবে — বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান এবং বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়।
প্রশ্ন: প্রতিদিন পরীক্ষার সময় কতক্ষণ?
উত্তর: সাধারণত সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত পরীক্ষা চলবে। তবে ১৫ ডিসেম্বর দুটি বিষয় মিলিয়ে মোট ৩ ঘণ্টার পরীক্ষা হবে।
প্রশ্ন: প্রবেশপত্র কোথা থেকে সংগ্রহ করতে হবে?
উত্তর: পরীক্ষার কমপক্ষে সাত দিন আগে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের প্রধানের কাছ থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে হবে।
প্রশ্ন: বৃত্তিপ্রাপ্তরা কত টাকা পাবে?
উত্তর: ট্যালেন্টপুল বৃত্তিপ্রাপ্তরা মাসে ৪৫০ টাকা এবং সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তরা মাসে ৩০০ টাকা করে পাবে (২০২৫ সালের হার অনুযায়ী; ২০২৬ সালের হার সরকারি ঘোষণা থেকে যাচাই করে নেওয়া ভালো)।
প্রশ্ন: পরীক্ষা কেন্দ্রে কি ক্যালকুলেটর নেওয়া যাবে?
উত্তর: হ্যাঁ, তবে শুধু বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে।
শেষ কথা
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৬ অষ্টম শ্রেণির মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বড় সুযোগ। ৮ ডিসেম্বর থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের জন্য এখন থেকেই পরিকল্পিত প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি। রুটিন, নির্দেশনা ও বৃত্তির খুঁটিনাটি সম্পর্কে সবশেষ ও সঠিক তথ্যের জন্য নিয়মিত DSHE-র অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (dshe.gov.bd) এবং নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের নোটিশ বোর্ডে চোখ রাখুন।
তথ্যসূত্র: মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের সরকারি বিজ্ঞপ্তি (পত্র নং বৃত্তি/২০২৬/৬০) এবং সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ। পরীক্ষা-সংক্রান্ত যেকোনো সিদ্ধান্তের আগে অফিসিয়াল সূত্র থেকে তথ্য যাচাই করে নেওয়ার অনুরোধ থাকল।



