সৌদি আরবে কাজের উদ্দেশ্যে, ওমরাহ পালনের জন্য কিংবা ভ্রমণের উদ্দেশ্যে অনেকেই প্রতি বছর ভিসার জন্য আবেদন করে থাকেন। ভিসা আবেদন করার পর সবচেয়ে বেশি যে প্রশ্নটি মাথায় ঘুরপাক খায় তা হলো— “আমার সৌদি ভিসা কি ইস্যু হয়েছে? নাকি এখনো প্রসেসিং চলছে?” আগে এই তথ্য জানতে দালাল বা এজেন্সির অফিসে ঘুরতে হতো, কিন্তু এখন সৌদি সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ব্যবহার করে ঘরে বসেই মাত্র কয়েক মিনিটে নিজের ভিসার সর্বশেষ অবস্থা (Status) জানা যায়।
এই আর্টিকেলে ২০২৬ সালের হালনাগাদ নিয়ম অনুযায়ী সৌদি আরবের ভিসা চেক করার সম্পূর্ণ পদ্ধতি, বিভিন্ন ধরনের ভিসা চেক করার আলাদা আলাদা উপায়, সাধারণ সমস্যার সমাধান এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।
কেন সৌদি ভিসা চেক করা জরুরি?
ভিসার স্ট্যাটাস যাচাই করা কেন গুরুত্বপূর্ণ, তা অনেকেই বুঝতে পারেন না। নিচে কয়েকটি মূল কারণ তুলে ধরা হলো—
- ভিসা আসলেই ইস্যু হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়, যা প্রতারণা এড়াতে সাহায্য করে।
- এজেন্সি বা দালালের দেওয়া তথ্য সত্য কিনা যাচাই করা যায়।
- ভিসার মেয়াদ কতদিন আছে তা জানা যায়, যাতে সময়মতো সৌদি আরবে প্রবেশ করা যায়।
- ভিসা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে কিনা তা দ্রুত জানা গেলে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হয়।
- বিমানের টিকিট কাটার আগে ভিসা নিশ্চিত হয়ে নেওয়া গেলে অর্থ ও সময় দুটোই বাঁচে।
সৌদি ভিসা চেক করার জন্য যা যা প্রয়োজন
ভিসা চেক করার আগে হাতের কাছে নিচের তথ্যগুলো প্রস্তুত রাখুন—
- পাসপোর্ট নম্বর (Passport Number)
- ভিসা অ্যাপ্লিকেশন নম্বর অথবা ভিসা নম্বর (Visa Application Number)
- জন্ম তারিখ (কিছু ক্ষেত্রে প্রয়োজন হতে পারে)
- জাতীয়তা (Nationality)
- একটি ইন্টারনেট সংযোগযুক্ত মোবাইল অথবা কম্পিউটার
এই তথ্যগুলো সাধারণত ভিসার আবেদনপত্রে অথবা এজেন্সি থেকে দেওয়া কাগজে উল্লেখ থাকে। তথ্য ভুল দিলে সঠিক ফলাফল আসবে না, তাই প্রতিটি সংখ্যা মনোযোগ দিয়ে লিখতে হবে।
পদ্ধতি ১: MOFA ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ভিসা চেক
সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (Ministry of Foreign Affairs) অফিসিয়াল ভিসা পোর্টাল হলো visa.mofa.gov.sa। এটি ব্যবহার করে ধাপে ধাপে ভিসা চেক করার নিয়ম নিচে দেওয়া হলো—
ধাপ ১: প্রথমে ব্রাউজারে গিয়ে অফিসিয়াল সৌদি ভিসা পোর্টালে প্রবেশ করুন।

ধাপ ২: ওয়েবসাইট খোলার পর যদি পুরো পেজ আরবি ভাষায় দেখায়, তাহলে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। পেজের ওপরের ডানদিকে থাকা ভাষা পরিবর্তনের আইকনে ক্লিক করে “English” নির্বাচন করুন। সাথে সাথে পুরো ওয়েবসাইট ইংরেজিতে চলে আসবে, ফলে বোঝা এবং ব্যবহার করা অনেক সহজ হয়ে যাবে।
ধাপ ৩: হোমপেজে বা মেনু থেকে “Inquiries” বা “Check Visa Status” অপশনটি খুঁজে বের করুন এবং সেখানে ক্লিক করুন।
ধাপ ৪: “Inquiry Type” ড্রপডাউন থেকে “Visa Application Number” নির্বাচন করুন। এখানে চাইলে Passport Number দিয়েও অনুসন্ধান করা যায়, উভয় পদ্ধতিই কার্যকর।

ধাপ ৫: প্রথম বক্সে আপনার Visa Application Number সঠিকভাবে লিখুন।
ধাপ ৬: দ্বিতীয় বক্সে Passport Number লিখুন। মনে রাখবেন, পাসপোর্ট নম্বরে বড় হাতের অক্ষর (Capital Letter) ব্যবহার করতে হয়।
ধাপ ৭: পেজে দেখানো Captcha Code (সংখ্যা বা অক্ষরের ছবি) সঠিকভাবে নির্দিষ্ট বক্সে টাইপ করুন। Captcha মিলাতে সময় নিয়ে সঠিকভাবে দেখে লিখুন, কারণ ভুল হলে বারবার রিলোড করতে হবে।
ধাপ ৮: সবকিছু সঠিকভাবে পূরণ করার পর “Search” বা “Submit” বাটনে ক্লিক করুন।
কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই স্ক্রিনে আপনার ভিসার বর্তমান অবস্থা প্রদর্শিত হবে।

পদ্ধতি ২: KSA Visa পোর্টালের মাধ্যমে চেক
MOFA ওয়েবসাইট ছাড়াও ksavisa.sa নামের আরেকটি অফিসিয়াল পোর্টাল রয়েছে, যেখান থেকেও ভিসার তথ্য যাচাই করা যায়। এই ওয়েবসাইটের ব্যবহারবিধি প্রায় একই রকম—
- ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ভাষা ইংরেজি করে নিন।
- “Visa Status” বা “Track Application” অপশনে যান।
- পাসপোর্ট নম্বর ও অ্যাপ্লিকেশন নম্বর দিয়ে সার্চ করুন।
- ফলাফল দেখুন এবং প্রয়োজনে স্ক্রিনশট নিয়ে রাখুন।
দুটি ওয়েবসাইটই সরকার অনুমোদিত হওয়ায় যেকোনো একটি ব্যবহার করলেই চলবে। তবে একটিতে সার্ভার সমস্যা হলে অন্যটি ব্যবহার করে দেখতে পারেন।
পদ্ধতি ৩: Enjaz পোর্টালের মাধ্যমে ভিসা চেক
যারা সৌদি আরবের বাইরে থেকে ওয়ার্ক ভিসা বা ফ্যামিলি ভিসার আবেদন করেছেন, তাদের জন্য Enjaz (Ministry of Foreign Affairs এর একটি সাব-সিস্টেম) খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি মাধ্যম। এই পোর্টালের মাধ্যমে ভিসার প্রতিটি ধাপের আপডেট দেখা যায়—
- Enjaz ওয়েবসাইটে গিয়ে “New User” রেজিস্ট্রেশন করুন অথবা পূর্বের একাউন্টে লগইন করুন।
- রেজিস্ট্রেশনের সময় পাসপোর্ট নম্বর, মোবাইল নম্বর ও ইমেইল দিয়ে একাউন্ট তৈরি করতে হয়।
- লগইন করার পর ড্যাশবোর্ডে গিয়ে আবেদনের বিস্তারিত অবস্থা দেখা যায়।
- এখানে ভিসার প্রতিটি ধাপ— যেমন আবেদন জমা, যাচাই প্রক্রিয়া, অনুমোদন বা প্রত্যাখ্যান— আলাদাভাবে দেখানো হয়।
এই পদ্ধতি একটু জটিল মনে হলেও, যাদের ভিসা প্রসেসিং নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দরকার, তাদের জন্য এটি সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম।
পদ্ধতি ৪: Absher অ্যাপের মাধ্যমে ভিসা ও রেসিডেন্সি চেক
যারা ইতিমধ্যে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন বা যাদের Iqama (রেসিডেন্স পারমিট) রয়েছে, তাদের জন্য Absher প্ল্যাটফর্ম অত্যন্ত কার্যকর। এটি সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল সেবা, যা ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপ— দুই মাধ্যমেই ব্যবহার করা যায়।
- প্রথমে Play Store বা App Store থেকে “Absher” অ্যাপটি ডাউনলোড করুন।
- মোবাইল নম্বর ও Iqama/পাসপোর্ট তথ্য দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করুন।
- একাউন্ট ভেরিফাই করার পর “Visas” বা “Query” সেকশনে গিয়ে ভিসা ও রেসিডেন্সির মেয়াদ দেখা যায়।
- এই অ্যাপ থেকে Exit-Re-entry ভিসা, Iqama নবায়ন এবং অন্যান্য সরকারি সেবার আবেদনও করা যায়।
পদ্ধতি ৫: Nusuk প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ওমরাহ ভিসা চেক
যারা ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব যেতে চান, তাদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা রয়েছে Nusuk প্ল্যাটফর্মে। ওমরাহ ভিসা সাধারণ কাজের ভিসা থেকে ভিন্নভাবে প্রসেস করা হয়।
- Nusuk অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা অ্যাপে প্রবেশ করুন।
- একাউন্টে লগইন করে “My Trips” বা “Visa Status” সেকশনে যান।
- এখানে ওমরাহ ভিসার অনুমোদন, প্যাকেজ বুকিং এবং ভিসার মেয়াদ সংক্রান্ত সব তথ্য একসাথে পাওয়া যায়।
ওমরাহ ভিসার ক্ষেত্রে সাধারণত একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সৌদি আরবে প্রবেশ করতে হয়, তাই সময়মতো চেক করা অত্যন্ত জরুরি।
ভিসা চেক করার পর ফলাফল কী কী হতে পারে
ভিসা চেক করার পর সাধারণত নিচের কয়েকটি ফলাফলের যেকোনো একটি দেখা যেতে পারে—
১. Visa has been issued
এর অর্থ হলো আপনার ভিসা সফলভাবে অনুমোদিত হয়েছে এবং একটি ভিসা নম্বর দেওয়া হয়েছে। এই অবস্থায় আপনি নিশ্চিন্তে বিমানের টিকিট ও অন্যান্য প্রস্তুতি শুরু করতে পারেন।
২. Application under process / Pending
এর মানে হলো ভিসার আবেদন এখনো প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এই ক্ষেত্রে ধৈর্য ধরে কয়েকদিন পর আবার চেক করতে হবে।
৩. Visa rejected / Cancelled
আবেদন প্রত্যাখ্যাত বা বাতিল হয়ে থাকলে এই বার্তা দেখানো হবে। এমন হলে যে এজেন্সি বা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আবেদন করা হয়েছিল, তাদের সাথে দ্রুত যোগাযোগ করে কারণ জেনে নেওয়া উচিত।
৪. Invalid data / No record found
তথ্য ভুল দিলে অথবা এখনো সিস্টেমে তথ্য আপডেট না হলে এই বার্তা আসতে পারে। এক্ষেত্রে সব তথ্য আবার মিলিয়ে দেখে পুনরায় চেষ্টা করুন।
সাধারণ সমস্যা ও সমাধান
অনেকেই ভিসা চেক করতে গিয়ে বিভিন্ন সমস্যায় পড়েন। নিচে সেগুলোর সমাধান দেওয়া হলো—
ওয়েবসাইট লোড হচ্ছে না বা স্লো কাজ করছে: সাধারণত বেশি ভিড়ের সময় (বিশেষ করে হজ ও ওমরাহ মৌসুমে) সৌদি সরকারি সার্ভারে চাপ বেড়ে যায়। এই সময় কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে আবার চেষ্টা করুন, অথবা রাতের দিকে চেষ্টা করুন যখন ট্রাফিক কম থাকে।
Captcha বারবার ভুল দেখাচ্ছে: ব্রাউজারের জুম লেভেল স্বাভাবিক রাখুন এবং Captcha-এর অক্ষরগুলো ভালোভাবে দেখে টাইপ করুন। প্রয়োজনে পেজ রিফ্রেশ করে নতুন Captcha নিয়ে চেষ্টা করুন।
No Record Found দেখাচ্ছে: এই সমস্যার সবচেয়ে বড় কারণ হলো ভুল অ্যাপ্লিকেশন নম্বর বা পাসপোর্ট নম্বর। নম্বরের প্রতিটি ডিজিট আবার মিলিয়ে দেখুন। এছাড়া নতুন আবেদন হলে সিস্টেমে আপডেট হতে ২৪-৪৮ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে।
ওয়েবসাইট শুধু আরবিতে দেখাচ্ছে: ওপরে উল্লেখ করা পদ্ধতিতে ভাষা পরিবর্তনের অপশন ব্যবহার করে সহজেই ইংরেজি ভাষায় নিয়ে আসতে পারবেন।
মোবাইলে ওয়েবসাইট ঠিকভাবে খুলছে না: মোবাইল ব্রাউজারের “Desktop Site” অপশন চালু করে দেখুন, এতে পেজের সব অপশন সঠিকভাবে দেখা যাবে।
দালালের মাধ্যমে ভিসা যাচাই করার ঝুঁকি
বাংলাদেশে অনেকেই সরাসরি সরকারি ওয়েবসাইটে না গিয়ে দালাল বা এজেন্সির কথায় বিশ্বাস করে বসে থাকেন। এতে বড় ধরনের প্রতারণার শিকার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই নিজের ভিসা নিজে চেক করার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত। কিছু গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা—
- কোনো এজেন্সি “ভিসা হয়ে গেছে” বললেই বিশ্বাস না করে নিজে অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে যাচাই করুন।
- ভিসা নম্বর ও পাসপোর্ট নম্বর নিজের কাছে রাখুন, যাতে যেকোনো সময় নিজেই চেক করতে পারেন।
- অতিরিক্ত টাকা দাবি করা বা তাড়াহুড়ো করানো এজেন্সি সম্পর্কে সতর্ক থাকুন।
- সন্দেহ হলে বাংলাদেশে অবস্থিত সৌদি দূতাবাস অথবা প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সাথে যোগাযোগ করুন।
ভিসার মেয়াদ ও এন্ট্রি সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
ভিসা ইস্যু হওয়ার পর কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় খেয়াল রাখতে হবে—
- প্রতিটি ভিসায় একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ থাকে, যার মধ্যে সৌদি আরবে প্রবেশ করতে হয়। মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে ভিসা আপনাআপনি বাতিল বলে গণ্য হতে পারে।
- ভিসার ধরন অনুযায়ী Single Entry বা Multiple Entry নির্ধারিত থাকে, যা ভিসা স্ট্যাটাস চেক করার সময় দেখা যায়।
- ভিসায় উল্লেখিত থাকার মেয়াদও (Duration of Stay) মনোযোগ দিয়ে দেখে নেওয়া উচিত, যাতে অতিরিক্ত অবস্থানের কারণে জরিমানার মুখে পড়তে না হয়।
- সৌদি আরবে প্রবেশের পর Iqama ইস্যু হলে তা Absher অ্যাপের মাধ্যমে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
প্রশ্ন: ভিসা অ্যাপ্লিকেশন নম্বর কোথায় পাওয়া যাবে?
উত্তর: ভিসার আবেদনের সময় যে কাগজ বা ইমেইল কনফার্মেশন পাওয়া যায়, সেখানে এই নম্বর উল্লেখ থাকে। এজেন্সির মাধ্যমে আবেদন করলে তাদের কাছ থেকেও এই নম্বর সংগ্রহ করা যায়।
প্রশ্ন: ভিসা চেক করতে কি কোনো ফি লাগে?
উত্তর: না, অফিসিয়াল সরকারি ওয়েবসাইটে ভিসা স্ট্যাটাস চেক করা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
প্রশ্ন: ভিসা আবেদনের কতদিন পর স্ট্যাটাস চেক করা যায়?
উত্তর: সাধারণত আবেদন জমা দেওয়ার ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সিস্টেমে প্রাথমিক তথ্য দেখা শুরু করে। তবে এটি ভিসার ধরন ও প্রক্রিয়াকরণের গতির ওপর নির্ভর করে।
প্রশ্ন: পাসপোর্ট নম্বর দিয়েও কি ভিসা চেক করা যায়?
উত্তর: হ্যাঁ, কিছু ক্ষেত্রে শুধু পাসপোর্ট নম্বর ও জাতীয়তা দিয়েও ভিসা অনুসন্ধান করা সম্ভব, তবে সবচেয়ে নির্ভুল ফলাফলের জন্য অ্যাপ্লিকেশন নম্বর ব্যবহার করা ভালো।
প্রশ্ন: ভিসা রিজেক্ট হলে কী করণীয়?
উত্তর: প্রথমে যে প্রতিষ্ঠান বা এজেন্সির মাধ্যমে আবেদন করা হয়েছিল, তাদের সাথে যোগাযোগ করে কারণ জানুন। প্রয়োজনে সংশোধিত কাগজপত্র দিয়ে পুনরায় আবেদন করা যেতে পারে।
প্রশ্ন: মোবাইল দিয়ে কি ভিসা চেক করা যায়?
উত্তর: হ্যাঁ, মোবাইলের ব্রাউজার থেকেই অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে সহজে ভিসা চেক করা যায়, এর জন্য আলাদা কোনো অ্যাপ ইনস্টল করার প্রয়োজন নেই।
শেষ কথা
সৌদি আরবের ভিসা চেক করা এখন আগের চেয়ে অনেক সহজ ও দ্রুত। MOFA, KSA Visa, Enjaz, Absher কিংবা Nusuk— যেকোনো অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে ঘরে বসেই নিজের ভিসার সঠিক ও হালনাগাদ তথ্য জানা সম্ভব। ভিসা সংক্রান্ত যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সবসময় নিজে অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে যাচাই করে নেওয়া উচিত, যাতে কোনো ধরনের প্রতারণা বা ভুল তথ্যের শিকার না হতে হয়। সঠিক তথ্য দিয়ে ধৈর্য সহকারে প্রতিটি ধাপ অনুসরণ করলে খুব সহজেই আপনার সৌদি ভিসার সবশেষ অবস্থা জানতে পারবেন।



